বেসরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক স্বল্পতা দূর করতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিলম্ব এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম সচল রাখার লক্ষ্যে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, অভিজ্ঞ এবং শারীরিকভাবে সক্ষম শিক্ষকদের নিয়ে প্রতিটি উপজেলায় একটি ‘শিক্ষক পুল’ গঠন করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি বা গভর্নিং বডি প্রয়োজনের ভিত্তিতে এই পুল থেকে সাময়িকভাবে শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সম্মানী প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিলের অত্যাবশ্যকীয় খাত থেকে পরিশোধ করা হবে।
এনটিআরসিএ’র তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান দাবি করেছেন, এই উদ্যোগটি নিয়মিত নিয়োগের বিকল্প নয়; বরং অতিরিক্ত শিক্ষক প্রয়োজন এমন ক্ষেত্রে অভিজ্ঞদের কাজে লাগানোর একটি প্রক্রিয়া।
শিক্ষাবিদ ও শিক্ষক নেতারা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকা এবং ছোট স্কুলগুলোর সম্মানী দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একইসাথে শিক্ষার মান বজায় রাখতে নিয়মিত শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
বেসরকারি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক স্বল্পতা দূর করতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিলম্ব এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম সচল রাখার লক্ষ্যে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, অভিজ্ঞ এবং শারীরিকভাবে সক্ষম শিক্ষকদের নিয়ে প্রতিটি উপজেলায় একটি ‘শিক্ষক পুল’ গঠন করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পরামর্শে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা কমিটি বা গভর্নিং বডি প্রয়োজনের ভিত্তিতে এই পুল থেকে সাময়িকভাবে শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে। নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সম্মানী প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব তহবিলের অত্যাবশ্যকীয় খাত থেকে পরিশোধ করা হবে।
এনটিআরসিএ’র তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান দাবি করেছেন, এই উদ্যোগটি নিয়মিত নিয়োগের বিকল্প নয়; বরং অতিরিক্ত শিক্ষক প্রয়োজন এমন ক্ষেত্রে অভিজ্ঞদের কাজে লাগানোর একটি প্রক্রিয়া।
শিক্ষাবিদ ও শিক্ষক নেতারা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও এর বাস্তবায়ন নিয়ে কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থাকা এবং ছোট স্কুলগুলোর সম্মানী দেওয়ার সক্ষমতা নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। একইসাথে শিক্ষার মান বজায় রাখতে নিয়মিত শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন