যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সামরিক অবরোধ অমান্য করে ইরানের বন্দর থেকে ছেড়ে আসা অন্তত দুটি জাহাজ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। মেরিটাইম ট্র্যাকিং ফার্ম ‘কেপলার’ জানিয়েছে, সোমবার মার্কিন অবরোধ কার্যকর হওয়ার নির্ধারিত সময়ের পরেও জাহাজগুলো এই এলাকা সফলভাবে পার হতে সক্ষম হয়।
লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘ক্রিশ্চিয়ানা’ এবং কোমোরোসের পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার ‘এলপিস’ সোমবার নির্ধারিত সময়ের পর এই এলাকা অতিক্রম করে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ভুট্টা খালাস করে এবং অন্যটি প্রায় ৩১ হাজার টন মিথানল নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এছাড়াও একটি চীনা ট্যাঙ্কারও এই একই সময়ে ওমানের দিকে প্রণালিটি পার হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এই অবরোধ কার্যকর করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছিল ইরানের বন্দর থেকে ছেড়ে আসা যেকোনো দেশের জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। সপ্তাহান্তে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, অবরোধ অমান্যকারী যেকোনো ইরানি নৌযান ধ্বংস করা হবে।
বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকরা এই পরিস্থিতির ফলে বিশ্ববাজারে তেল, সার এবং খাদ্যপণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন। তাদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে এই ধরনের অবরোধ কার্যকর করতে গেলে মার্কিন নৌবাহিনীকে যেমন বিশাল জনবল নিয়োগ করতে হবে, তেমনি এর ফলে সাধারণ মানুষের নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হবে। বর্তমানে পাকিস্তান ও কাতারের মতো দেশগুলো কূটনৈতিক চেষ্টা চালালেও এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সামরিক অবরোধ অমান্য করে ইরানের বন্দর থেকে ছেড়ে আসা অন্তত দুটি জাহাজ কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। মেরিটাইম ট্র্যাকিং ফার্ম ‘কেপলার’ জানিয়েছে, সোমবার মার্কিন অবরোধ কার্যকর হওয়ার নির্ধারিত সময়ের পরেও জাহাজগুলো এই এলাকা সফলভাবে পার হতে সক্ষম হয়।
লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘ক্রিশ্চিয়ানা’ এবং কোমোরোসের পতাকাবাহী ট্যাঙ্কার ‘এলপিস’ সোমবার নির্ধারিত সময়ের পর এই এলাকা অতিক্রম করে। এর মধ্যে একটি জাহাজ ভুট্টা খালাস করে এবং অন্যটি প্রায় ৩১ হাজার টন মিথানল নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এছাড়াও একটি চীনা ট্যাঙ্কারও এই একই সময়ে ওমানের দিকে প্রণালিটি পার হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এই অবরোধ কার্যকর করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছিল ইরানের বন্দর থেকে ছেড়ে আসা যেকোনো দেশের জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। সপ্তাহান্তে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, অবরোধ অমান্যকারী যেকোনো ইরানি নৌযান ধ্বংস করা হবে।
বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকরা এই পরিস্থিতির ফলে বিশ্ববাজারে তেল, সার এবং খাদ্যপণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন। তাদের মতে, হরমুজ প্রণালিতে এই ধরনের অবরোধ কার্যকর করতে গেলে মার্কিন নৌবাহিনীকে যেমন বিশাল জনবল নিয়োগ করতে হবে, তেমনি এর ফলে সাধারণ মানুষের নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিও তৈরি হবে। বর্তমানে পাকিস্তান ও কাতারের মতো দেশগুলো কূটনৈতিক চেষ্টা চালালেও এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে।

আপনার মতামত লিখুন