ভোটকেন্দ্রে লাঞ্ছিত হওয়ার প্রতিবাদে এবং প্রিয় দল ও নেতার বিজয়ের প্রতীক্ষায় দীর্ঘ ১৭ বছর ভাত না খাওয়ার কঠিন প্রতিজ্ঞা অবশেষে ভেঙেছেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের বৃদ্ধ মো. ইনু মিয়া। মঙ্গলবার বিকালে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমের উপস্থিতিতে শত শত নেতাকর্মীর মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্ন গ্রহণের মাধ্যমে তিনি তার দীর্ঘ শপথের অবসান ঘটান।
পেশায় দিনমজুর এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত ৮০ বছর বয়সী ইনু মিয়ার এই প্রতিজ্ঞার সূত্রপাত হয় ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে। সে সময় ধানের শীষে ভোট দিতে গিয়ে স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার হাতে শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হন তিনি। সেই অপমানের প্রতিবাদে তিনি শপথ করেন যে, যতদিন তার প্রিয় দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় না ফিরবে এবং প্রিয় নেতা শরীফুল আলম সংসদ সদস্য নির্বাচিত না হবেন, ততদিন তিনি আর ভাত স্পর্শ করবেন না।
সুদীর্ঘ ১৭ বছর তিনি কেবল রুটি, কলা, মুড়ি ও চিড়া খেয়ে বেঁচে ছিলেন। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং প্রিয় নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার পর অবশেষে তার লালিত স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এ সময় আবেগাপ্লুত প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম তাকে বিএনপির আসল প্রাণশক্তি হিসেবে অভিহিত করেন এবং তার জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রদানের ঘোষণা দেন।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
ভোটকেন্দ্রে লাঞ্ছিত হওয়ার প্রতিবাদে এবং প্রিয় দল ও নেতার বিজয়ের প্রতীক্ষায় দীর্ঘ ১৭ বছর ভাত না খাওয়ার কঠিন প্রতিজ্ঞা অবশেষে ভেঙেছেন কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরের বৃদ্ধ মো. ইনু মিয়া। মঙ্গলবার বিকালে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলমের উপস্থিতিতে শত শত নেতাকর্মীর মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্ন গ্রহণের মাধ্যমে তিনি তার দীর্ঘ শপথের অবসান ঘটান।
পেশায় দিনমজুর এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত ৮০ বছর বয়সী ইনু মিয়ার এই প্রতিজ্ঞার সূত্রপাত হয় ২০০৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে। সে সময় ধানের শীষে ভোট দিতে গিয়ে স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার হাতে শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হন তিনি। সেই অপমানের প্রতিবাদে তিনি শপথ করেন যে, যতদিন তার প্রিয় দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় না ফিরবে এবং প্রিয় নেতা শরীফুল আলম সংসদ সদস্য নির্বাচিত না হবেন, ততদিন তিনি আর ভাত স্পর্শ করবেন না।
সুদীর্ঘ ১৭ বছর তিনি কেবল রুটি, কলা, মুড়ি ও চিড়া খেয়ে বেঁচে ছিলেন। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং প্রিয় নেতা মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ার পর অবশেষে তার লালিত স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এ সময় আবেগাপ্লুত প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম তাকে বিএনপির আসল প্রাণশক্তি হিসেবে অভিহিত করেন এবং তার জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রদানের ঘোষণা দেন।

আপনার মতামত লিখুন