চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে দুই মাসের কন্যাশিশু সাফরিনা জান্নাত মাহিকে আছাড় মেরে হত্যার দায়ে তার বাবা মো. ওসমান গণিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে উপজেলার ১২ নম্বর চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের আমান বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তকে নিজ হেফাজতে নিতে সক্ষম হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ওসমান তার স্ত্রী সুমাইয়াকে চা দিতে বলেন। এ সময় রাতে শিশুর না ঘুমানোর বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওসমান তার স্ত্রীর কোল থেকে শিশু মাহিকে কেড়ে নিয়ে মাটিতে আছাড় দেন। এতে শিশুটি গুরুতর আহত হয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে।
শিশুর মায়ের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তবে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. এস. এম. মেজবাহ উল করিম শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান জানান, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ওসমান গণি আত্মগোপনে ছিলেন। পুলিশি অভিযানে তাকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় ওসমানের ভাই রুম্মানকেও আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে দুই মাসের কন্যাশিশু সাফরিনা জান্নাত মাহিকে আছাড় মেরে হত্যার দায়ে তার বাবা মো. ওসমান গণিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে উপজেলার ১২ নম্বর চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের আমান বাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযুক্তকে নিজ হেফাজতে নিতে সক্ষম হয়।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ওসমান তার স্ত্রী সুমাইয়াকে চা দিতে বলেন। এ সময় রাতে শিশুর না ঘুমানোর বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওসমান তার স্ত্রীর কোল থেকে শিশু মাহিকে কেড়ে নিয়ে মাটিতে আছাড় দেন। এতে শিশুটি গুরুতর আহত হয়ে নিস্তেজ হয়ে পড়ে।
শিশুর মায়ের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তবে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. এস. এম. মেজবাহ উল করিম শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
হাটহাজারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুর রহমান জানান, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ওসমান গণি আত্মগোপনে ছিলেন। পুলিশি অভিযানে তাকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনায় ওসমানের ভাই রুম্মানকেও আটক করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন