সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১৭ জুন দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত। বুধবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরী এই আদেশ দেন। এদিন শুনানির নির্ধারিত দিন থাকলেও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সময় প্রার্থনা করলে আদালত তা মঞ্জুর করে নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে এই মামলাটি করা হয়। মোট ২৮৬ জন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনাসহ ২৫৯ জন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে, সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ২৭ জন আসামি বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ওই জুম মিটিংয়ে দেশ-বিদেশ থেকে ৫ শতাধিক ব্যক্তি অংশ নেন। সেখানে গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা এবং সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে দেশ পরিচালনা করতে না দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ সিআইডির পক্ষ থেকে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৪ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। উল্লেখযোগ্য আসামিদের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বি আলম, সাবেক এমপি পংকজ নাথ, কামরুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার নাম রয়েছে। জুম মিটিংয়ের ভয়েস রেকর্ড পর্যালোচনা করে আদালত এই রাষ্ট্রদ্রোহিতার প্রাথমিক উপাদান খুঁজে পেয়েছেন।

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য আগামী ১৭ জুন দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত। বুধবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মঈন উদ্দিন চৌধুরী এই আদেশ দেন। এদিন শুনানির নির্ধারিত দিন থাকলেও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সময় প্রার্থনা করলে আদালত তা মঞ্জুর করে নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ নামের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারকে উৎখাত ও রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে এই মামলাটি করা হয়। মোট ২৮৬ জন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনাসহ ২৫৯ জন বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। অন্যদিকে, সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনসহ ২৭ জন আসামি বর্তমানে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন।
তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ওই জুম মিটিংয়ে দেশ-বিদেশ থেকে ৫ শতাধিক ব্যক্তি অংশ নেন। সেখানে গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে পুনরায় ক্ষমতায় বসানোর পরিকল্পনা এবং সরকারকে শান্তিপূর্ণভাবে দেশ পরিচালনা করতে না দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ সিআইডির পক্ষ থেকে মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১৪ আগস্ট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। উল্লেখযোগ্য আসামিদের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ড. রাব্বি আলম, সাবেক এমপি পংকজ নাথ, কামরুল ইসলাম এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেনসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার নাম রয়েছে। জুম মিটিংয়ের ভয়েস রেকর্ড পর্যালোচনা করে আদালত এই রাষ্ট্রদ্রোহিতার প্রাথমিক উপাদান খুঁজে পেয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন