ইসরাইলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর লেবানন এখন স্থায়ী সমঝোতার দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। শুক্রবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শেষে লেবানন এক নতুন ধাপে প্রবেশ করতে যাচ্ছে, যেখানে জনগণের অধিকার ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে একটি স্থায়ী চুক্তির চেষ্টা চালানো হবে।
প্রেসিডেন্ট আউন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর প্রভাব থেকে বেরিয়ে এসে লেবানন আর কারও দাবার ঘুঁটি বা যুদ্ধক্ষেত্র হতে চায় না। তিনি গর্বের সাথে উল্লেখ করেন যে, প্রায় অর্ধশতাব্দীর মধ্যে প্রথমবারের মতো লেবানন সরকার নিজ দেশের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করেছে। তার মতে, ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি আলাপ কোনো দুর্বলতা নয় এবং এটি জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখেই সম্পন্ন করা হবে।
সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়ার তথ্যমতে, এই শান্তি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে লেবাননের প্রেসিডেন্ট এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। ইতিপূর্বে ওয়াশিংটনে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা ১৯৪৮ সালের পর থেকে কৌশলগত যুদ্ধে লিপ্ত থাকা দেশ দুটির মধ্যে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।
ভাষণের শেষ পর্যায়ে জোসেফ আউন পুনরায় আশ্বস্ত করেন যে, কোনো চুক্তির মাধ্যমেই দেশের এক ইঞ্চি মাটি ত্যাগ করা হবে না বা জনগণের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হতে দেওয়া হবে না। লেবানন এখন নিজের ভাগ্য নিজে গড়তে প্রস্তুত এবং একটি স্থিতিশীল ভবিষ্যতের দিকেই তাদের লক্ষ্য।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ইসরাইলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর লেবানন এখন স্থায়ী সমঝোতার দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন। শুক্রবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি শেষে লেবানন এক নতুন ধাপে প্রবেশ করতে যাচ্ছে, যেখানে জনগণের অধিকার ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে একটি স্থায়ী চুক্তির চেষ্টা চালানো হবে।
প্রেসিডেন্ট আউন ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহর প্রভাব থেকে বেরিয়ে এসে লেবানন আর কারও দাবার ঘুঁটি বা যুদ্ধক্ষেত্র হতে চায় না। তিনি গর্বের সাথে উল্লেখ করেন যে, প্রায় অর্ধশতাব্দীর মধ্যে প্রথমবারের মতো লেবানন সরকার নিজ দেশের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করেছে। তার মতে, ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি আলাপ কোনো দুর্বলতা নয় এবং এটি জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখেই সম্পন্ন করা হবে।
সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়ার তথ্যমতে, এই শান্তি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে লেবাননের প্রেসিডেন্ট এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। ইতিপূর্বে ওয়াশিংটনে দুই দেশের রাষ্ট্রদূতদের মধ্যে সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা ১৯৪৮ সালের পর থেকে কৌশলগত যুদ্ধে লিপ্ত থাকা দেশ দুটির মধ্যে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।
ভাষণের শেষ পর্যায়ে জোসেফ আউন পুনরায় আশ্বস্ত করেন যে, কোনো চুক্তির মাধ্যমেই দেশের এক ইঞ্চি মাটি ত্যাগ করা হবে না বা জনগণের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হতে দেওয়া হবে না। লেবানন এখন নিজের ভাগ্য নিজে গড়তে প্রস্তুত এবং একটি স্থিতিশীল ভবিষ্যতের দিকেই তাদের লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন