আসন্ন জাতীয় বাজেটে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ধর্মীয় খাতে কার্যক্রমের পরিধি আরও সম্প্রসারিত করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি আরও জানান, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে এবং জটিল রোগের চিকিৎসায় সরকারের অনুদান দ্বিগুণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকার আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরে আয়োজিত এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নির্বাচনি মেনিফেস্টো (ইশতেহার) এখন জাতীয় দায়িত্বে পরিণত হয়েছে। আগামী বছর প্রায় ৪০ লাখ ২০ হাজার মানুষকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর পাশাপাশি এতিম শিশুদের কেবল আশ্রয় দেওয়াই নয়, বরং তাদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উক্ত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা ইয়াসমিন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক প্রতিষ্ঠান সচল থাকলেও তাদের মধ্যে এক ধরণের সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। তবে নতুন কর্মপরিকল্পনায় এই সমন্বয়হীনতা দূর করে সেবার মান আরও উন্নত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
আসন্ন জাতীয় বাজেটে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ধর্মীয় খাতে কার্যক্রমের পরিধি আরও সম্প্রসারিত করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি আরও জানান, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে এবং জটিল রোগের চিকিৎসায় সরকারের অনুদান দ্বিগুণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকার আগারগাঁওয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরে আয়োজিত এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বিএনপির নির্বাচনি মেনিফেস্টো (ইশতেহার) এখন জাতীয় দায়িত্বে পরিণত হয়েছে। আগামী বছর প্রায় ৪০ লাখ ২০ হাজার মানুষকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর পাশাপাশি এতিম শিশুদের কেবল আশ্রয় দেওয়াই নয়, বরং তাদের দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উক্ত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা ইয়াসমিন। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক প্রতিষ্ঠান সচল থাকলেও তাদের মধ্যে এক ধরণের সমন্বয়ের ঘাটতি রয়েছে। তবে নতুন কর্মপরিকল্পনায় এই সমন্বয়হীনতা দূর করে সেবার মান আরও উন্নত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন