যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে—এমন দাবি তুলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। তাদের অভিযোগ, কিছু জাহাজ চলাচলের সুযোগ দেওয়া হলেও যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানি নৌযান ও বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করেনি। এ কারণে আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, এই পরিস্থিতিতে প্রণালির দিকে আসা যেকোনো জাহাজকে শত্রুপক্ষের সহযোগী হিসেবে গণ্য করা হবে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পাল্টা সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে ফেলতে পারবে না। ট্রাম্প আরও যোগ করেন যে, ইরানের সঙ্গে সব ধরনের অমীমাংসিত বিষয়ে সমঝোতা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন নৌ অবরোধ বলবৎ থাকবে।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দাবি করেছিলেন, লেবাননের যুদ্ধবিরতি এবং পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি সব বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রয়েছে। তবে উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ জানান, একটি অভিন্ন কাঠামোতে একমত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে কোনো আলোচনা শুরু করা সম্ভব নয়।
বর্তমানে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে বলে জানা গেছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি এবং নৌ অবরোধ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে এই টানাপড়েন আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির শর্ত ভঙ্গ করেছে—এমন দাবি তুলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। তাদের অভিযোগ, কিছু জাহাজ চলাচলের সুযোগ দেওয়া হলেও যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইরানি নৌযান ও বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করেনি। এ কারণে আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, এই পরিস্থিতিতে প্রণালির দিকে আসা যেকোনো জাহাজকে শত্রুপক্ষের সহযোগী হিসেবে গণ্য করা হবে।
অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে পাল্টা সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে ফেলতে পারবে না। ট্রাম্প আরও যোগ করেন যে, ইরানের সঙ্গে সব ধরনের অমীমাংসিত বিষয়ে সমঝোতা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত মার্কিন নৌ অবরোধ বলবৎ থাকবে।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দাবি করেছিলেন, লেবাননের যুদ্ধবিরতি এবং পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী হরমুজ প্রণালি সব বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রয়েছে। তবে উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহ জানান, একটি অভিন্ন কাঠামোতে একমত না হওয়া পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে কোনো আলোচনা শুরু করা সম্ভব নয়।
বর্তমানে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করছে বলে জানা গেছে। আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি এবং নৌ অবরোধ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে এই টানাপড়েন আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে নতুন উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন