ঢাকা নিউজ

ইসলামাবাদে নতুন করে শান্তি সংলাপে বসতে পারেন ট্রাম্প ও ইরানের প্রতিনিধিরা



ইসলামাবাদে নতুন করে শান্তি সংলাপে বসতে পারেন ট্রাম্প ও ইরানের প্রতিনিধিরা
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসন এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে নতুন করে সংলাপের প্রস্তুতি চলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহান্তেই দুই দেশের প্রতিনিধিরা পুনরায় আলোচনায় বসতে পারেন। মূলত বর্তমান ১৪ দিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতিকে একটি স্থায়ী রূপ দিতেই এই কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই মধ্যস্থতা কার্যক্রমে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ইতিপূর্বে ইসলামাবাদে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হলেও তা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। তবে সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের ইরান সফর এবং দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক দুই পক্ষের মধ্যকার মতপার্থক্য কমাতে সহায়ক হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তবে এই শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো গভীর অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে, অন্যদিকে এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান পুনরায় কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এই পরিস্থিতিকে ইরানের পক্ষ থেকে আলোচনার শর্ত লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে, যা দুই দেশের মধ্যকার আস্থাহীনতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার ফলে পরিস্থিতির নতুন করে অবনতি ঘটেছে। দ্বিতীয় দফা আলোচনার জোরালো সম্ভাবনা থাকলেও যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী নিয়ে উভয় পক্ষ এখনো বড় ধরনের মতভেদে অনড় রয়েছে। ফলে ইসলামাবাদকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো সঞ্চার হলেও একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬


ইসলামাবাদে নতুন করে শান্তি সংলাপে বসতে পারেন ট্রাম্প ও ইরানের প্রতিনিধিরা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসন এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে নতুন করে সংলাপের প্রস্তুতি চলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহান্তেই দুই দেশের প্রতিনিধিরা পুনরায় আলোচনায় বসতে পারেন। মূলত বর্তমান ১৪ দিনের সাময়িক যুদ্ধবিরতিকে একটি স্থায়ী রূপ দিতেই এই কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই মধ্যস্থতা কার্যক্রমে পাকিস্তান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ইতিপূর্বে ইসলামাবাদে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হলেও তা কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। তবে সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের ইরান সফর এবং দেশটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক দুই পক্ষের মধ্যকার মতপার্থক্য কমাতে সহায়ক হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাশাপাশি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্কে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

তবে এই শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখনো গভীর অনিশ্চয়তা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দরগুলোর ওপর নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে, অন্যদিকে এর পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরান পুনরায় কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন এই পরিস্থিতিকে ইরানের পক্ষ থেকে আলোচনার শর্ত লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে, যা দুই দেশের মধ্যকার আস্থাহীনতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার ফলে পরিস্থিতির নতুন করে অবনতি ঘটেছে। দ্বিতীয় দফা আলোচনার জোরালো সম্ভাবনা থাকলেও যুদ্ধবিরতির শর্তাবলী নিয়ে উভয় পক্ষ এখনো বড় ধরনের মতভেদে অনড় রয়েছে। ফলে ইসলামাবাদকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো সঞ্চার হলেও একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানো বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করা হচ্ছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ