চট্টগ্রামে পুলিশের উপস্থিতিতেই হকিস্টিক ও চাপাতি নিয়ে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে ছাত্রদল—এমন গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ডাকসু ভিপি ও ছাত্রশিবির নেতা সাদিক কায়েম। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান যে, হামলার সময় পুলিশ সেখানে উপস্থিত থাকলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করেছে। সাদিক কায়েম এই নীরবতাকে বিগত ফ্যাসিবাদী আমলের পুলিশি আচরণের সঙ্গে তুলনা করে বর্তমান প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গতকালের এই হামলায় তাদের অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে আশরাফুল নামে এক ওয়ার্ড সভাপতির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক; চাপাতির আঘাতে তাঁর পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। হামলায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কয়েকজন শিক্ষকও আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে সংগঠনটি।
সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর প্রতিটি ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি, কিন্তু বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে শিক্ষার্থীদের ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি পুলিশের দায়িত্ব অবহেলায় জড়িতদের বিচারের পাশাপাশি চিহ্নিত হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। একই ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার পক্ষ থেকে বিভাগীয় কমিশনারের কাছেও পৃথক একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামে পুলিশের উপস্থিতিতেই হকিস্টিক ও চাপাতি নিয়ে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর নৃশংস হামলা চালিয়েছে ছাত্রদল—এমন গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন ডাকসু ভিপি ও ছাত্রশিবির নেতা সাদিক কায়েম। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি প্রদান শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান যে, হামলার সময় পুলিশ সেখানে উপস্থিত থাকলেও তারা নীরব ভূমিকা পালন করেছে। সাদিক কায়েম এই নীরবতাকে বিগত ফ্যাসিবাদী আমলের পুলিশি আচরণের সঙ্গে তুলনা করে বর্তমান প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
স্মারকলিপি প্রদানকালে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, গতকালের এই হামলায় তাদের অন্তত ৩০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে আশরাফুল নামে এক ওয়ার্ড সভাপতির অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক; চাপাতির আঘাতে তাঁর পায়ের গোড়ালি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। হামলায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কয়েকজন শিক্ষকও আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করে ইতোমধ্যে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে সংগঠনটি।
সাদিক কায়েম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর প্রতিটি ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি, কিন্তু বহিরাগত সন্ত্রাসী এনে শিক্ষার্থীদের ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি পুলিশের দায়িত্ব অবহেলায় জড়িতদের বিচারের পাশাপাশি চিহ্নিত হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানান। একই ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার পক্ষ থেকে বিভাগীয় কমিশনারের কাছেও পৃথক একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন