ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি চলমান যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণতির জন্য ‘আগ্রাসী’ শক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে সরাসরি দায়ী করেছেন। বৃহস্পতিবার তেহরানে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ দূত চুং বিয়ুং-হার সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়ে দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে নেওয়া এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনার জন্য বাড়তি সময় নিশ্চিত করা।
শান্তি আলোচনার প্রচেষ্টা চললেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নির্ধারিত দ্বিতীয় দফার বৈঠক নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে এই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা অনুষ্ঠিত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে যে তিনি সফর করছেন না। ইরানও তাদের প্রতিনিধি দল পাঠানোর বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বার্তা দেয়নি।
উত্তেজনার রেশ ধরে যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রপথে ইরানের বাণিজ্যের ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করেছে। এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ঠেকাতে গুলি চালিয়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি চলমান যুদ্ধের ভয়াবহ পরিণতির জন্য ‘আগ্রাসী’ শক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে সরাসরি দায়ী করেছেন। বৃহস্পতিবার তেহরানে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষ দূত চুং বিয়ুং-হার সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়িয়ে দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে নেওয়া এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনার জন্য বাড়তি সময় নিশ্চিত করা।
শান্তি আলোচনার প্রচেষ্টা চললেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নির্ধারিত দ্বিতীয় দফার বৈঠক নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে এই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা অনুষ্ঠিত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে যে তিনি সফর করছেন না। ইরানও তাদের প্রতিনিধি দল পাঠানোর বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বার্তা দেয়নি।
উত্তেজনার রেশ ধরে যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রপথে ইরানের বাণিজ্যের ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করেছে। এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল ঠেকাতে গুলি চালিয়েছে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বর্তমানে বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন