জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মাধ্যমে বিএনপি জনগণের মন ভোলানোর চেষ্টা করছে। শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি বলেন, এই কার্ড দিতে গিয়ে বিএনপির ‘তেল ও জ্বালানি’ ফুরিয়ে গেছে, অথচ মন্ত্রীরা সংসদে জ্বালানি সংকটের কথা অস্বীকার করছেন।
নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, বর্তমান বিএনপি সরকার দেশের অর্থনৈতিক সমস্যা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিকেও অস্বীকার করছে। তার মতে, বাংলাদেশের ইতিহাসে মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে কোনো সরকার এতটা অজনপ্রিয় হয়নি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার যদি সংস্কার কার্যক্রমে বাধা প্রদান এবং আওয়ামী লীগের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ অব্যাহত রাখে, তবে দেশের ছাত্র-জনতা আবারও তাদের প্রতিহত করতে রাজপথে নামবে।
বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিএনপি শুরুতে সংস্কারে বাধা দিলেও পরে জনচাপে গণভোটে রাজি হয়েছিল, কিন্তু এখন তারা সেই গণভোটের রায়কেই অস্বীকার করছে। তিনি সরকারকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ছিল দেশে নতুন কোনো স্বৈরতন্ত্র ফিরতে না দেওয়া। তাই গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদের মর্যাদা রক্ষায় তার দল সংসদ ও রাজপথ—উভয় জায়গাতেই সক্রিয় থাকবে বলে তিনি ঘোষণা করেন।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম মন্তব্য করেছেন যে, কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মাধ্যমে বিএনপি জনগণের মন ভোলানোর চেষ্টা করছে। শনিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি বলেন, এই কার্ড দিতে গিয়ে বিএনপির ‘তেল ও জ্বালানি’ ফুরিয়ে গেছে, অথচ মন্ত্রীরা সংসদে জ্বালানি সংকটের কথা অস্বীকার করছেন।
নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, বর্তমান বিএনপি সরকার দেশের অর্থনৈতিক সমস্যা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিকেও অস্বীকার করছে। তার মতে, বাংলাদেশের ইতিহাসে মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে কোনো সরকার এতটা অজনপ্রিয় হয়নি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সরকার যদি সংস্কার কার্যক্রমে বাধা প্রদান এবং আওয়ামী লীগের মতো প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ অব্যাহত রাখে, তবে দেশের ছাত্র-জনতা আবারও তাদের প্রতিহত করতে রাজপথে নামবে।
বক্তব্যে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিএনপি শুরুতে সংস্কারে বাধা দিলেও পরে জনচাপে গণভোটে রাজি হয়েছিল, কিন্তু এখন তারা সেই গণভোটের রায়কেই অস্বীকার করছে। তিনি সরকারকে স্মরণ করিয়ে দেন যে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ছিল দেশে নতুন কোনো স্বৈরতন্ত্র ফিরতে না দেওয়া। তাই গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই সনদের মর্যাদা রক্ষায় তার দল সংসদ ও রাজপথ—উভয় জায়গাতেই সক্রিয় থাকবে বলে তিনি ঘোষণা করেন।

আপনার মতামত লিখুন