ঢাকা নিউজ

যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানি স্পিকারের কঠোর হুঁশিয়ারি ও নতুন সমীকরণ



যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানি স্পিকারের কঠোর হুঁশিয়ারি ও নতুন সমীকরণ
ছবি : সংগৃহীত

হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ওয়াশিংটনকে হাতে থাকা ‘কার্ড’ নিয়ে পাল্টা খোঁচা দিয়েছেন ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি নতুন গাণিতিক ফর্মুলা পোস্ট করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুদ সংক্রান্ত দাবির কঠোর সমালোচনা করেছেন।

গালিবাফ তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, প্রতিপক্ষ তাদের হাতে থাকা কার্ড নিয়ে বড়াই করলেও সরবরাহ ও চাহিদার সমীকরণে ইরান এখনো তার মূল শক্তিগুলো ব্যবহারই করেনি। তিনি একটি ফর্মুলার মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল-গ্যাস সরবরাহ হলেও ইরান এটি এখন পর্যন্ত কেবল আংশিক ব্যবহার করেছে। এছাড়া বাব আল-মান্দেব প্রণালি এবং তেলের পাইপলাইন ব্যবহারের কার্ডগুলো তেহরান এখনো হাতেই রেখেছে।

বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, ওয়াশিংটন তাদের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুদ এরই মধ্যে খরচ করে ফেলেছে। তেলের চাহিদা কমানোর প্রক্রিয়াটিও কেবল আংশিক কার্যকর হয়েছে। গালিবাফ ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সামনে তেলের দাম আরও বাড়ার যে কার্ডটি রয়েছে, সেটি এখনো কার্যকর হওয়া বাকি।

এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে মার্কিন সাধারণ জনগণকে সরাসরি সতর্ক করেছেন ইরানি স্পিকার। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময় যখন জ্বালানির চাহিদা সর্বোচ্চ থাকে, তখন তেলের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে মার্কিনিরা চরম ভোগান্তিতে পড়তে পারে বলে তিনি আভাস দিয়েছেন।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা ও শান্তি আলোচনা থমকে যাওয়ার প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৭.৪৯ ডলারে পৌঁছেছে এবং ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৬.১৭ ডলারে, যা গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানি স্পিকারের কঠোর হুঁশিয়ারি ও নতুন সমীকরণ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ওয়াশিংটনকে হাতে থাকা ‘কার্ড’ নিয়ে পাল্টা খোঁচা দিয়েছেন ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি নতুন গাণিতিক ফর্মুলা পোস্ট করে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তেলের মজুদ সংক্রান্ত দাবির কঠোর সমালোচনা করেছেন।

গালিবাফ তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, প্রতিপক্ষ তাদের হাতে থাকা কার্ড নিয়ে বড়াই করলেও সরবরাহ ও চাহিদার সমীকরণে ইরান এখনো তার মূল শক্তিগুলো ব্যবহারই করেনি। তিনি একটি ফর্মুলার মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল-গ্যাস সরবরাহ হলেও ইরান এটি এখন পর্যন্ত কেবল আংশিক ব্যবহার করেছে। এছাড়া বাব আল-মান্দেব প্রণালি এবং তেলের পাইপলাইন ব্যবহারের কার্ডগুলো তেহরান এখনো হাতেই রেখেছে।

বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, ওয়াশিংটন তাদের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম মজুদ এরই মধ্যে খরচ করে ফেলেছে। তেলের চাহিদা কমানোর প্রক্রিয়াটিও কেবল আংশিক কার্যকর হয়েছে। গালিবাফ ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, সামনে তেলের দাম আরও বাড়ার যে কার্ডটি রয়েছে, সেটি এখনো কার্যকর হওয়া বাকি।

এই পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে মার্কিন সাধারণ জনগণকে সরাসরি সতর্ক করেছেন ইরানি স্পিকার। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালীন ছুটির সময় যখন জ্বালানির চাহিদা সর্বোচ্চ থাকে, তখন তেলের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে মার্কিনিরা চরম ভোগান্তিতে পড়তে পারে বলে তিনি আভাস দিয়েছেন।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা ও শান্তি আলোচনা থমকে যাওয়ার প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৭.৪৯ ডলারে পৌঁছেছে এবং ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৬.১৭ ডলারে, যা গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ