বিশ্ববাজারে টানা দুইদিন কমার পর বৃহস্পতিবার আবারও জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১ ডলারের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০২.০৫ ডলারে পৌঁছেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই তেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৯৫.৮৪ ডলারে। মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইরানকে নতুন করে বোমা হামলার হুমকির পরেই বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দেয়।
এর আগে বুধবার ট্রাম্পের একটি বক্তব্যের পর তেলের দাম দ্রুত কমতে শুরু করেছিল। তিনি জানিয়েছিলেন যে, ইরান একটি প্রস্তাবিত চুক্তি মেনে নিলে হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হতে পারে। সেই খবরের প্রভাবে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০ শতাংশ কমে ৯৮ ডলারে এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রায় ১২ শতাংশ কমে ৮৯ ডলারে নেমে এসেছিল। তবে চুক্তির বিষয়ে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর দাম পুনরায় ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।
জ্বালানি বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ বৈঠকের আগে পর্যন্ত তেলের দাম উচ্চ পর্যায়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে গত ২৯ এপ্রিল ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২২ ডলারে পৌঁছেছিল, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ দরের রেকর্ড ছিল। বর্তমানে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের আসন্ন বৈঠককে কেন্দ্র করে বাজার পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
বিশ্ববাজারে টানা দুইদিন কমার পর বৃহস্পতিবার আবারও জ্বালানি তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১ ডলারের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০২.০৫ ডলারে পৌঁছেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই তেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৯৫.৮৪ ডলারে। মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইরানকে নতুন করে বোমা হামলার হুমকির পরেই বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দেয়।
এর আগে বুধবার ট্রাম্পের একটি বক্তব্যের পর তেলের দাম দ্রুত কমতে শুরু করেছিল। তিনি জানিয়েছিলেন যে, ইরান একটি প্রস্তাবিত চুক্তি মেনে নিলে হরমুজ প্রণালি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হতে পারে। সেই খবরের প্রভাবে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১০ শতাংশ কমে ৯৮ ডলারে এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম প্রায় ১২ শতাংশ কমে ৮৯ ডলারে নেমে এসেছিল। তবে চুক্তির বিষয়ে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দেওয়ার পর দাম পুনরায় ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়।
জ্বালানি বাজার বিশ্লেষকদের মতে, আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ বৈঠকের আগে পর্যন্ত তেলের দাম উচ্চ পর্যায়ে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এর আগে গত ২৯ এপ্রিল ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২২ ডলারে পৌঁছেছিল, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ দরের রেকর্ড ছিল। বর্তমানে ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের আসন্ন বৈঠককে কেন্দ্র করে বাজার পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন