আগামী সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যকার বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যুটি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। হোয়াইট হাউসে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য জানান।
রুবিও উল্লেখ করেন যে, তাইওয়ান প্রণালিতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হোক—এটি যুক্তরাষ্ট্র চায় না। তিনি বিশ্বাস করেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল বা তাইওয়ান ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়া কোনো পক্ষের জন্যই মঙ্গলজনক নয় এবং বেইজিং ও ওয়াশিংটন উভয়ই বিষয়টি অনুধাবন করে।
আগামী ১৪ ও ১৫ মে বেইজিং সফরে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বেইজিং যখন গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে সামরিক চাপ বৃদ্ধি করছে, ঠিক তখনই এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে তাইওয়ানের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সমর্থক এবং অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ হিসেবে ভূমিকা পালন করছে।

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
আগামী সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যকার বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যুটি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। হোয়াইট হাউসে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য জানান।
রুবিও উল্লেখ করেন যে, তাইওয়ান প্রণালিতে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হোক—এটি যুক্তরাষ্ট্র চায় না। তিনি বিশ্বাস করেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল বা তাইওয়ান ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়া কোনো পক্ষের জন্যই মঙ্গলজনক নয় এবং বেইজিং ও ওয়াশিংটন উভয়ই বিষয়টি অনুধাবন করে।
আগামী ১৪ ও ১৫ মে বেইজিং সফরে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বেইজিং যখন গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে সামরিক চাপ বৃদ্ধি করছে, ঠিক তখনই এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
দীর্ঘদিন ধরেই তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে তাইওয়ানের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সমর্থক এবং অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ হিসেবে ভূমিকা পালন করছে।

আপনার মতামত লিখুন