বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বকশিশের টাকা না পেয়ে এক মুমূর্ষু রোগীর অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে দিপালী সিকদার নামের ওই রোগী মাস্ক খোলার মাত্র দুই মিনিটের মাথায় মারা যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার বিকেলে হাসপাতাল চত্বরে মৃত রোগীর স্বজন ও স্টাফদের মধ্যে দফায় দফায় হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহতের স্বজনরা জানান, তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসক দিপালীকে জরুরি ভিত্তিতে নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন দেওয়ার নির্দেশ দেন। শয্যা সংকটের কারণে তাকে ট্রলিতে রেখেই অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। নিহতের ভাইয়ের অভিযোগ, অন্য এক রোগীর স্বজনের কাছ থেকে ২০০ টাকা বকশিশ পেয়ে কর্মচারী সোহেল দিপালীর অক্সিজেনের লাইনটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। স্বজনদের অনুরোধ উপেক্ষা করে অক্সিজেন খোলায় দ্রুতই রোগীর মৃত্যু হয়।
দিপালীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত স্বজনরা অভিযুক্ত কর্মচারী সোহেলকে গণধোলাই দেয়। এ সময় হাসপাতালের অন্যান্য স্টাফরা কর্মচারীর পক্ষ নিয়ে স্বজনদের ওপর চড়াও হলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরবর্তীতে আনসার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ঘটনার পর অভিযুক্ত কর্মচারী সোহেল হাসপাতাল থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করেছেন। নিহতের পরিবার এই ঘটনাকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করে অভিযুক্তের স্থায়ী বরখাস্ত ও আইনি শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করলেও এখনো কোনো দাপ্তরিক বক্তব্য প্রদান করেনি।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বকশিশের টাকা না পেয়ে এক মুমূর্ষু রোগীর অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে দিপালী সিকদার নামের ওই রোগী মাস্ক খোলার মাত্র দুই মিনিটের মাথায় মারা যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার বিকেলে হাসপাতাল চত্বরে মৃত রোগীর স্বজন ও স্টাফদের মধ্যে দফায় দফায় হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
নিহতের স্বজনরা জানান, তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসক দিপালীকে জরুরি ভিত্তিতে নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন দেওয়ার নির্দেশ দেন। শয্যা সংকটের কারণে তাকে ট্রলিতে রেখেই অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল। নিহতের ভাইয়ের অভিযোগ, অন্য এক রোগীর স্বজনের কাছ থেকে ২০০ টাকা বকশিশ পেয়ে কর্মচারী সোহেল দিপালীর অক্সিজেনের লাইনটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। স্বজনদের অনুরোধ উপেক্ষা করে অক্সিজেন খোলায় দ্রুতই রোগীর মৃত্যু হয়।
দিপালীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত স্বজনরা অভিযুক্ত কর্মচারী সোহেলকে গণধোলাই দেয়। এ সময় হাসপাতালের অন্যান্য স্টাফরা কর্মচারীর পক্ষ নিয়ে স্বজনদের ওপর চড়াও হলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরবর্তীতে আনসার সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
ঘটনার পর অভিযুক্ত কর্মচারী সোহেল হাসপাতাল থেকে পালিয়ে আত্মগোপন করেছেন। নিহতের পরিবার এই ঘটনাকে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করে অভিযুক্তের স্থায়ী বরখাস্ত ও আইনি শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করলেও এখনো কোনো দাপ্তরিক বক্তব্য প্রদান করেনি।

আপনার মতামত লিখুন