ঢাকা নিউজ

কার্যকারিতা ও সংস্কারেই সংসদের সফলতা: ড. মঈন খান



কার্যকারিতা ও সংস্কারেই সংসদের সফলতা: ড. মঈন খান
ছবি : সংগৃহীত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেছেন, বর্তমান সংসদ এখনই গণতন্ত্রের মাইলফলক হয়ে গেছে—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনও আসেনি। বুধবার বিকেলে রাজধানীতে ‘গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বর্তমান সংসদ একটি নতুন মাইলফলক কিনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি বলেন, সংসদের সফলতা মূলত এর কার্যকারিতা, সংস্কার বাস্তবায়ন এবং শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর নির্ভর করবে।

ড. মঈন খান উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের আগস্টে যারা জীবন দিয়েছিলেন, তারা একদলীয় শাসনের ‘জগদ্দল পাথর’ সরিয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের স্বপ্ন সামনে এনেছিলেন এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব এখন সংসদের ওপর। তিনি জানান, সংসদে অনেক আইন পাস হলেও সংসদ সদস্যদের কার্যকর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে ভাবার অবকাশ রয়েছে। সংসদ সদস্যদের শুধু আইন প্রণয়ন নয়, বরং সাধারণ মানুষের স্থানীয় সমস্যার সমাধানেও আন্তরিক হতে হবে।

বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান একটি ‘রেনেসাঁ’ বা পুনর্জাগরণ, যা দীর্ঘ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে মানুষের মুক্তির সূচনা করেছে। তিনি আরও বলেন, সংসদকে এখনই মাইলফলক বলা যাবে না; বরং বহু অধিবেশন শেষে এর মূল্যায়ন সম্ভব হবে। তবে সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে তিনি একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে চিহ্নিত করেন।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল এহসান জোবায়ের সংসদের শুরুটা ভালো হয়েছে বলে মন্তব্য করলেও অধিকাংশ সদস্য ব্যবসায়ী হওয়ায় স্বার্থের দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার সতর্ক করে বলেন, সংসদ সদস্যদের ‘স্থানীয় এমপি রাজ’ ও অবৈধ প্রভাব থেকে দূরে থাকতে হবে এবং সংবিধান অনুযায়ী তাদের কেবল আইন প্রণয়নে মনোযোগী হওয়া উচিত।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬


কার্যকারিতা ও সংস্কারেই সংসদের সফলতা: ড. মঈন খান

প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬

featured Image

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান বলেছেন, বর্তমান সংসদ এখনই গণতন্ত্রের মাইলফলক হয়ে গেছে—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এখনও আসেনি। বুধবার বিকেলে রাজধানীতে ‘গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বর্তমান সংসদ একটি নতুন মাইলফলক কিনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি বলেন, সংসদের সফলতা মূলত এর কার্যকারিতা, সংস্কার বাস্তবায়ন এবং শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর নির্ভর করবে।

ড. মঈন খান উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের আগস্টে যারা জীবন দিয়েছিলেন, তারা একদলীয় শাসনের ‘জগদ্দল পাথর’ সরিয়ে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের স্বপ্ন সামনে এনেছিলেন এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব এখন সংসদের ওপর। তিনি জানান, সংসদে অনেক আইন পাস হলেও সংসদ সদস্যদের কার্যকর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে ভাবার অবকাশ রয়েছে। সংসদ সদস্যদের শুধু আইন প্রণয়ন নয়, বরং সাধারণ মানুষের স্থানীয় সমস্যার সমাধানেও আন্তরিক হতে হবে।

বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী বলেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান একটি ‘রেনেসাঁ’ বা পুনর্জাগরণ, যা দীর্ঘ দুঃশাসনের বিরুদ্ধে মানুষের মুক্তির সূচনা করেছে। তিনি আরও বলেন, সংসদকে এখনই মাইলফলক বলা যাবে না; বরং বহু অধিবেশন শেষে এর মূল্যায়ন সম্ভব হবে। তবে সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে তিনি একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে চিহ্নিত করেন।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল এহসান জোবায়ের সংসদের শুরুটা ভালো হয়েছে বলে মন্তব্য করলেও অধিকাংশ সদস্য ব্যবসায়ী হওয়ায় স্বার্থের দ্বন্দ্ব তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। অন্যদিকে, সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার সতর্ক করে বলেন, সংসদ সদস্যদের ‘স্থানীয় এমপি রাজ’ ও অবৈধ প্রভাব থেকে দূরে থাকতে হবে এবং সংবিধান অনুযায়ী তাদের কেবল আইন প্রণয়নে মনোযোগী হওয়া উচিত।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ