স্বাধীনতার পর থেকে দেশের মোট বিদেশি ঋণের ৭৮ শতাংশই নিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার। গত সাড়ে ১৫ বছরে উন্নয়ন প্রকল্পের নামে এই সরকার ৮ হাজার ৬২ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছে, যার বড় অংশই ছিল চড়া সুদ ও কঠিন শর্তের জালে বন্দি। ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের সময় দেশের মোট বিদেশি ঋণের স্থিতি ছিল ২ হাজার ২৭৯ কোটি ডলার, যা ২০২৪ সালের জুনে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৪১ কোটি ডলারে।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ডলারের দাম ৬৯ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ায় বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ঋণের সুদের হার ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে বর্তমানে ৭ থেকে ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই বিপুল ঋণের প্রায় ৭৬ শতাংশই চড়া সুদের হওয়ায় বর্তমানে তা পরিশোধ করতে গিয়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ১৬৯ ডলার থেকে বেড়ে ৬০৭ ডলারে উন্নীত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে এই ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৫৭ ডলারে। ঋণের টাকার একটি বড় অংশ বিদেশে পাচার হওয়া এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয় না এমন সব প্রকল্পে বিনিয়োগের ফলে দেশের অর্থনীতি বর্তমানে চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ইতিমধ্যে ৫৫০ কোটি ডলার ঋণ পরিশোধ করেছে এবং চলতি অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত শুধু সরকারি খাতেই ৪০০ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। রাজস্ব আয় কম হওয়ায় বর্তমানে স্থানীয়ভাবে ঋণ নিয়ে ডলার কিনে বিদেশি ঋণ শোধ করতে হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে এই ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়বে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
স্বাধীনতার পর থেকে দেশের মোট বিদেশি ঋণের ৭৮ শতাংশই নিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার। গত সাড়ে ১৫ বছরে উন্নয়ন প্রকল্পের নামে এই সরকার ৮ হাজার ৬২ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছে, যার বড় অংশই ছিল চড়া সুদ ও কঠিন শর্তের জালে বন্দি। ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের সময় দেশের মোট বিদেশি ঋণের স্থিতি ছিল ২ হাজার ২৭৯ কোটি ডলার, যা ২০২৪ সালের জুনে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৩৪১ কোটি ডলারে।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ডলারের দাম ৬৯ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ায় বিদেশি ঋণ পরিশোধের চাপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ঋণের সুদের হার ৪ শতাংশ থেকে বেড়ে বর্তমানে ৭ থেকে ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই বিপুল ঋণের প্রায় ৭৬ শতাংশই চড়া সুদের হওয়ায় বর্তমানে তা পরিশোধ করতে গিয়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর তীব্র চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে মাথাপিছু ঋণের পরিমাণ ১৬৯ ডলার থেকে বেড়ে ৬০৭ ডলারে উন্নীত হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে এই ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬৫৭ ডলারে। ঋণের টাকার একটি বড় অংশ বিদেশে পাচার হওয়া এবং বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয় না এমন সব প্রকল্পে বিনিয়োগের ফলে দেশের অর্থনীতি বর্তমানে চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ইতিমধ্যে ৫৫০ কোটি ডলার ঋণ পরিশোধ করেছে এবং চলতি অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত শুধু সরকারি খাতেই ৪০০ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। রাজস্ব আয় কম হওয়ায় বর্তমানে স্থানীয়ভাবে ঋণ নিয়ে ডলার কিনে বিদেশি ঋণ শোধ করতে হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে এই ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়বে বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন