ভারতের উত্তরপ্রদেশজুড়ে ভয়াবহ ঝড়, বজ্রপাত ও অকাল ভারি বৃষ্টিতে অন্তত ৫৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বুধবার রাতভর চলা এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রয়াগরাজ, ভাদোহি, ফতেহপুর ও প্রতাপগড় জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রবল বাতাসে অসংখ্য গাছ উপড়ে পড়া, বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে যাওয়া এবং শত শত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রয়াগরাজে ১৭ জন, ভাদোহিতে ১৬ জন এবং ফতেহপুরে ৯ জনসহ বিভিন্ন জেলায় এই নিহতের ঘটনা ঘটে। অধিকাংশ মানুষ গাছচাপা পড়ে, দেয়াল ধসে অথবা বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে এবং রাস্তাঘাট অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া কৃষিক্ষেত্রেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দুর্যোগের পরপরই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জরুরি বৈঠক করে জেলা প্রশাসনকে দ্রুত ত্রাণ ও ক্ষতিপূরণ পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে সহায়তা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। একই সঙ্গে রাজস্ব ও কৃষি বিভাগকে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা এই অকাল ঝড় ও বজ্রপাতকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব হিসেবে দেখছেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বর্তমানে দুর্গত এলাকাগুলোতে জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম চলছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের খোলা জায়গা বা গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
ভারতের উত্তরপ্রদেশজুড়ে ভয়াবহ ঝড়, বজ্রপাত ও অকাল ভারি বৃষ্টিতে অন্তত ৫৬ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। বুধবার রাতভর চলা এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রয়াগরাজ, ভাদোহি, ফতেহপুর ও প্রতাপগড় জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রবল বাতাসে অসংখ্য গাছ উপড়ে পড়া, বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে যাওয়া এবং শত শত ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রয়াগরাজে ১৭ জন, ভাদোহিতে ১৬ জন এবং ফতেহপুরে ৯ জনসহ বিভিন্ন জেলায় এই নিহতের ঘটনা ঘটে। অধিকাংশ মানুষ গাছচাপা পড়ে, দেয়াল ধসে অথবা বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে এবং রাস্তাঘাট অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া কৃষিক্ষেত্রেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দুর্যোগের পরপরই উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জরুরি বৈঠক করে জেলা প্রশাসনকে দ্রুত ত্রাণ ও ক্ষতিপূরণ পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর কাছে সহায়তা নিশ্চিত করার তাগিদ দেন। একই সঙ্গে রাজস্ব ও কৃষি বিভাগকে দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা এই অকাল ঝড় ও বজ্রপাতকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব হিসেবে দেখছেন। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বর্তমানে দুর্গত এলাকাগুলোতে জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম চলছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের খোলা জায়গা বা গাছের নিচে আশ্রয় না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন