ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন সংযুক্ত আরব আমিরাতে এক গোপন সফর করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে এই তথ্য জানানোর পর আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি অস্বীকার করলেও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখপাত্র জিভ আঘমোন এই সফরের রাজকীয় অভ্যর্থনার বিস্তারিত প্রকাশ করেছেন।
সাবেক মুখপাত্র জিভ আঘমোন সামাজিক মাধ্যমে জানান, আবুধাবিতে নেতানিয়াহুকে উষ্ণ ও রাজকীয় অভ্যর্থনা জানানো হয়। আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে নিজে বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে নেতানিয়াহুকে বিমান থেকে রাজপ্রাসাদে নিয়ে যান। সফরে আমিরাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং একে একটি ‘ঐতিহাসিক ও সফল’ সফর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
এদিকে নেতানিয়াহুর এই গোপন সফরের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তারা এই সফর সম্পর্কে আগে থেকেই অবগত ছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে আরব আমিরাত মুসলিম বিশ্বে বিভাজন তৈরি করছে, যা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।
ইরান এই ঘটনার জন্য ‘বিভাজনকারীদের’ বিচারের আওতায় আনারও হুমকি দিয়েছে। তবে ইসরায়েলি পক্ষ এই সফরকে আঞ্চলিক কূটনীতির বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে, যা দীর্ঘ সময় গোপন রাখার পর এখন প্রকাশ্যে আনা হলো।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলাকালীন সংযুক্ত আরব আমিরাতে এক গোপন সফর করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে এই তথ্য জানানোর পর আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিষয়টি অস্বীকার করলেও প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখপাত্র জিভ আঘমোন এই সফরের রাজকীয় অভ্যর্থনার বিস্তারিত প্রকাশ করেছেন।
সাবেক মুখপাত্র জিভ আঘমোন সামাজিক মাধ্যমে জানান, আবুধাবিতে নেতানিয়াহুকে উষ্ণ ও রাজকীয় অভ্যর্থনা জানানো হয়। আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে নিজে বিমানবন্দরে উপস্থিত হয়ে নেতানিয়াহুকে বিমান থেকে রাজপ্রাসাদে নিয়ে যান। সফরে আমিরাতের শীর্ষ কর্মকর্তারা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং একে একটি ‘ঐতিহাসিক ও সফল’ সফর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
এদিকে নেতানিয়াহুর এই গোপন সফরের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, তারা এই সফর সম্পর্কে আগে থেকেই অবগত ছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে আরব আমিরাত মুসলিম বিশ্বে বিভাজন তৈরি করছে, যা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।
ইরান এই ঘটনার জন্য ‘বিভাজনকারীদের’ বিচারের আওতায় আনারও হুমকি দিয়েছে। তবে ইসরায়েলি পক্ষ এই সফরকে আঞ্চলিক কূটনীতির বড় সাফল্য হিসেবে দেখছে, যা দীর্ঘ সময় গোপন রাখার পর এখন প্রকাশ্যে আনা হলো।

আপনার মতামত লিখুন