ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটলে জ্বালানি গ্যাসের দাম ‘ব্যাপকভাবে’ কমে যাবে এবং এর ইতিবাচক প্রভাবে বিদ্যুতের দামও হ্রাস পাবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও চলমান পরিস্থিতি নিয়ে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ট্রাম্পের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরে এলে সাধারণ মানুষ জ্বালানি খরচে বড় ধরনের স্বস্তি পাবে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও প্রকাশ করেন যে, চীন ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করছে—এমন খবরের ভিত্তিতে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি ইরানকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করার অনুরোধ জানান। এর জবাবে শি জিনপিং তাকে নিশ্চিত করেছেন যে, চীন ইরানকে কোনো ধরনের অস্ত্র সরবরাহ করছে না বলে ট্রাম্প দাবি করেন।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অনুমতি দিলে ‘সারা বিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবে’। তিনি মনে করেন, পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করলে ইরান এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা পুরোপুরি নষ্ট করে দেবে। বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় ইরানকে এই পথ থেকে দূরে রাখা জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধের সমাপ্তি যে কেবল সামরিক নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, ট্রাম্পের এই বক্তব্যে তা ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে আমেরিকা ও বৈশ্বিক বাজারে গ্যাসের দাম কমিয়ে আনার বিষয়টিকে তিনি তাঁর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কৌশলের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। অবিলম্বের শান্তি চুক্তি বা সমঝোতার মাধ্যমেই এই সংকট সমাধান সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬
ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটলে জ্বালানি গ্যাসের দাম ‘ব্যাপকভাবে’ কমে যাবে এবং এর ইতিবাচক প্রভাবে বিদ্যুতের দামও হ্রাস পাবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও চলমান পরিস্থিতি নিয়ে এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ট্রাম্পের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরে এলে সাধারণ মানুষ জ্বালানি খরচে বড় ধরনের স্বস্তি পাবে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প আরও প্রকাশ করেন যে, চীন ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ করছে—এমন খবরের ভিত্তিতে তিনি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠিতে তিনি ইরানকে অস্ত্র দেওয়া বন্ধ করার অনুরোধ জানান। এর জবাবে শি জিনপিং তাকে নিশ্চিত করেছেন যে, চীন ইরানকে কোনো ধরনের অস্ত্র সরবরাহ করছে না বলে ট্রাম্প দাবি করেন।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির অনুমতি দিলে ‘সারা বিশ্ব ধ্বংস হয়ে যাবে’। তিনি মনে করেন, পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করলে ইরান এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা পুরোপুরি নষ্ট করে দেবে। বৈশ্বিক নিরাপত্তা রক্ষায় ইরানকে এই পথ থেকে দূরে রাখা জরুরি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধের সমাপ্তি যে কেবল সামরিক নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, ট্রাম্পের এই বক্তব্যে তা ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে আমেরিকা ও বৈশ্বিক বাজারে গ্যাসের দাম কমিয়ে আনার বিষয়টিকে তিনি তাঁর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কৌশলের অন্যতম লক্ষ্য হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। অবিলম্বের শান্তি চুক্তি বা সমঝোতার মাধ্যমেই এই সংকট সমাধান সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

আপনার মতামত লিখুন