ইরানের মজুতকৃত ইউরেনিয়াম ‘শান্তিপূর্ণ উপায়ে’ যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার পরিকল্পনার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার অ্যারিজোনার ফিনিক্স শহরে রিপাবলিকান পার্টির এক সমাবেশে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় বিশাল আকৃতির যন্ত্রপাতি ও এক্সকেভেটর ব্যবহার করে ইরানের সঙ্গেই সমন্বয়ের মাধ্যমে এই ইউরেনিয়াম সংগ্রহ করা হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি ইরানের অংশগ্রহণে দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, বর্তমানে ইরানের কাছে প্রায় ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে, যার পরিশুদ্ধতার মাত্রা ৬০ শতাংশ। যদিও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য এই মাত্রা ৯০ শতাংশ হওয়া প্রয়োজন, তবুও ট্রাম্প এই মজুত যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই কাজের জন্য কল্পনার চেয়েও শক্তিশালী ও বিশালাকার যন্ত্রপাতির প্রয়োজন পড়বে।
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ইরান তাদের ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে সম্মত হয়েছে। তবে তেহরান তাৎক্ষণিকভাবে সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়ে দেয় যে, তাদের ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই দেশের বাইরে পাঠানো হবে না। ইরানের পক্ষ থেকে এমন অসম্মতি থাকা সত্ত্বেও শুক্রবারের বক্তব্যে ট্রাম্প তার আগের অবস্থানেই অটল থাকলেন।
উল্লেখ্য, ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের এই বিষয়টি বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে চরম কূটনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রে রয়েছে। একদিকে ট্রাম্প একে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে ইরান তাদের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করতে নারাজ বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের মজুতকৃত ইউরেনিয়াম ‘শান্তিপূর্ণ উপায়ে’ যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে আসার পরিকল্পনার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার অ্যারিজোনার ফিনিক্স শহরে রিপাবলিকান পার্টির এক সমাবেশে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় বিশাল আকৃতির যন্ত্রপাতি ও এক্সকেভেটর ব্যবহার করে ইরানের সঙ্গেই সমন্বয়ের মাধ্যমে এই ইউরেনিয়াম সংগ্রহ করা হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি ইরানের অংশগ্রহণে দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
জাতিসংঘের তথ্যমতে, বর্তমানে ইরানের কাছে প্রায় ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম মজুত রয়েছে, যার পরিশুদ্ধতার মাত্রা ৬০ শতাংশ। যদিও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য এই মাত্রা ৯০ শতাংশ হওয়া প্রয়োজন, তবুও ট্রাম্প এই মজুত যুক্তরাষ্ট্রে সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে অনড় অবস্থানে রয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, এই কাজের জন্য কল্পনার চেয়েও শক্তিশালী ও বিশালাকার যন্ত্রপাতির প্রয়োজন পড়বে।
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে, ইরান তাদের ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে সম্মত হয়েছে। তবে তেহরান তাৎক্ষণিকভাবে সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানিয়ে দেয় যে, তাদের ইউরেনিয়াম কোনোভাবেই দেশের বাইরে পাঠানো হবে না। ইরানের পক্ষ থেকে এমন অসম্মতি থাকা সত্ত্বেও শুক্রবারের বক্তব্যে ট্রাম্প তার আগের অবস্থানেই অটল থাকলেন।
উল্লেখ্য, ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের এই বিষয়টি বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে চরম কূটনৈতিক উত্তেজনার কেন্দ্রে রয়েছে। একদিকে ট্রাম্প একে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে ইরান তাদের সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করতে নারাজ বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন