গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় চোর আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামে ঘটে যাওয়া এই সংঘর্ষের ঘটনায় নারী-পুরুষসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ওহাব গাজী, জালাল গাজী, খলিল গাজী, আরিফুল গাজী, জলিল গাজী, ছনিয়া খানম, মাজেদা বেগম, হান্নান বরকতউল্লাহ, মুকুল মুন্সী, অলি বরকতউল্লাহ, তাওসীন বরকতউল্লাহ, হানিফ শেখ, হাবিব মুন্সী ও জাহিদুল বরকতউল্লাহকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক বিরোধী কমিটির সদস্যরা ব্যাটারি চুরির অভিযোগে উপজেলার কাঠিগা গ্রামের মোরসালিন মিয়া, চিতশী গ্রামের রাসেল দাড়িয়া ও ঘাঘরকান্দা গ্রামের আব্দুল্লাহ দাড়িয়া নামের তিনজনকে কমিটির কার্যালয়ে আটকে রাখে। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কাঠিগা ও চিতশী গ্রামের লোকজন এসে মাদক বিরোধী কমিটির কার্যালয় ভাঙচুর করে আটককৃতদের ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক বিরোধী কমিটির সাধারণ সম্পাদক জসিম মোল্লা বলেন, তাদের গ্রামের এক ব্যক্তির গাড়ি থেকে মোরসালিন, রাসেল ও আব্দুল্লাহ ব্যাটারি চুরি করে বিক্রি করে দেয়। খবর পেয়ে তাদের আটক করে কার্যালয়ে রেখে পুলিশকে জানানো হলেও কাঠিগা-চিতশীর লোকজন এসে তাদের ওপর হামলা ও মারধর করে কার্যালয় এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে ওই তিনজনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
অন্যদিকে কাঠিগা-চিতশী গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আনোয়ার হোসেন মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তারা কাউকে মারধর করেননি, বরং তাদের লোকজনকে মারধর করে আহত করা হয়েছে। কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. রিয়াদ মাহমুদ জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় চোর আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামে ঘটে যাওয়া এই সংঘর্ষের ঘটনায় নারী-পুরুষসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত ওহাব গাজী, জালাল গাজী, খলিল গাজী, আরিফুল গাজী, জলিল গাজী, ছনিয়া খানম, মাজেদা বেগম, হান্নান বরকতউল্লাহ, মুকুল মুন্সী, অলি বরকতউল্লাহ, তাওসীন বরকতউল্লাহ, হানিফ শেখ, হাবিব মুন্সী ও জাহিদুল বরকতউল্লাহকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক বিরোধী কমিটির সদস্যরা ব্যাটারি চুরির অভিযোগে উপজেলার কাঠিগা গ্রামের মোরসালিন মিয়া, চিতশী গ্রামের রাসেল দাড়িয়া ও ঘাঘরকান্দা গ্রামের আব্দুল্লাহ দাড়িয়া নামের তিনজনকে কমিটির কার্যালয়ে আটকে রাখে। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে কাঠিগা ও চিতশী গ্রামের লোকজন এসে মাদক বিরোধী কমিটির কার্যালয় ভাঙচুর করে আটককৃতদের ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
ঘাঘরকান্দা-বেপারীপাড়া গ্রামের মাদক বিরোধী কমিটির সাধারণ সম্পাদক জসিম মোল্লা বলেন, তাদের গ্রামের এক ব্যক্তির গাড়ি থেকে মোরসালিন, রাসেল ও আব্দুল্লাহ ব্যাটারি চুরি করে বিক্রি করে দেয়। খবর পেয়ে তাদের আটক করে কার্যালয়ে রেখে পুলিশকে জানানো হলেও কাঠিগা-চিতশীর লোকজন এসে তাদের ওপর হামলা ও মারধর করে কার্যালয় এবং ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে ওই তিনজনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
অন্যদিকে কাঠিগা-চিতশী গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আনোয়ার হোসেন মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেন, তারা কাউকে মারধর করেননি, বরং তাদের লোকজনকে মারধর করে আহত করা হয়েছে। কোটালীপাড়া থানার ওসি মো. রিয়াদ মাহমুদ জানিয়েছেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি এবং বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন