সমরাস্ত্রের কার্যক্ষমতা পরীক্ষার অংশ হিসেবে উত্তর কোরিয়া তাদের পূর্ব উপকূলীয় শহর সিনপোর কাছ থেকে আবারও একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। রোববার ভোরে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয়। পিয়ংইয়ংয়ের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া পরীক্ষার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পরপরই দক্ষিণ কোরিয়া তাদের নজরদারি বৃদ্ধি করেছে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ একটি জরুরি বৈঠকও ডেকেছে।
এদিকে জাপানের পক্ষ থেকেও উত্তর কোরিয়ার এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। টোকিও এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ আন্তর্জাতিক শান্তির জন্য বড় ধরনের হুমকিস্বরূপ। উল্লেখ্য, এটি চলতি বছরে উত্তর কোরিয়ার সপ্তম এবং এপ্রিল মাসে চতুর্থবারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ঘটনা।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সমরাস্ত্রের কার্যক্ষমতা পরীক্ষার অংশ হিসেবে উত্তর কোরিয়া তাদের পূর্ব উপকূলীয় শহর সিনপোর কাছ থেকে আবারও একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। রোববার ভোরে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করা হয়। পিয়ংইয়ংয়ের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়া পরীক্ষার অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পরপরই দক্ষিণ কোরিয়া তাদের নজরদারি বৃদ্ধি করেছে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ একটি জরুরি বৈঠকও ডেকেছে।
এদিকে জাপানের পক্ষ থেকেও উত্তর কোরিয়ার এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ওপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। টোকিও এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ আন্তর্জাতিক শান্তির জন্য বড় ধরনের হুমকিস্বরূপ। উল্লেখ্য, এটি চলতি বছরে উত্তর কোরিয়ার সপ্তম এবং এপ্রিল মাসে চতুর্থবারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ঘটনা।

আপনার মতামত লিখুন