লেবাননে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির তোয়াক্কা না করে ‘অপারেশন ইটারনাল ডার্কনেস’ বা ‘অনন্ত অন্ধকার’ নামের এক অভিযানের মাধ্যমে নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করেছে ইসরাইলি বাহিনী। মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে দেশটির ১০০টিরও বেশি স্থানে বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যাতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩০০ জন নিহত এবং সহস্রাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। সাধারণত শিয়া-প্রধান এলাকাগুলো লক্ষ্যবস্তু হলেও এবারের অভিযানে পুরো লেবাননজুড়ে ‘কার্পেট বোম্বিং’ করা হচ্ছে, যার কবলে পড়েছে বৈরুতের আমেরিকান ইউনিভার্সিটির নিকটবর্তী আবাসিক এলাকাগুলোও।
গত বুধবার বৈরুতের একটি অ্যাপার্টমেন্টে বিমান হামলায় একই পরিবারের পাঁচ নারী ও এক শিশু প্রাণ হারান, যারা দক্ষিণ লেবাননের যুদ্ধ থেকে বাঁচতে সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। যদিও ১৬ এপ্রিল থেকে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু মাঠপর্যায়ে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। অভিযোগ উঠেছে যে, যুদ্ধবিরতি শুরুর পরপরই দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন গ্রামে ভারী শেল হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। পর্যবেক্ষকদের মতে, ইসরাইল কখনোই পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি মেনে চলেনি, যার প্রমাণ হিসেবে গত নভেম্বরের যুদ্ধবিরতি পরবর্তী সাত মাসে ২৫০ জন লেবাননির মৃত্যুর পরিসংখ্যান তুলে ধরা হচ্ছে।
চলমান এই সংঘাতের ফলে লেবাননে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং নিহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অসংখ্য মানুষ আটকা পড়ে আছেন বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকরা ইসরাইলের এই সামরিক অভিযানের ধরনকে গাজায় চালানো গণহত্যার সাথে তুলনা করছেন এবং তাদের মূল লক্ষ্য লেবাননের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে আতঙ্ক ছড়ানো বলে মনে করছেন। আল জাজিরার কলামিস্ট বেলেন ফার্নান্দেজ এই অভিযানকে ইসরাইলের ‘উন্মত্ত ধ্বংসলীলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা দেশটির ভবিষ্যৎকে গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
লেবাননে ঘোষিত যুদ্ধবিরতির তোয়াক্কা না করে ‘অপারেশন ইটারনাল ডার্কনেস’ বা ‘অনন্ত অন্ধকার’ নামের এক অভিযানের মাধ্যমে নজিরবিহীন ধ্বংসযজ্ঞ শুরু করেছে ইসরাইলি বাহিনী। মাত্র ১০ মিনিটের ব্যবধানে দেশটির ১০০টিরও বেশি স্থানে বিমান হামলা চালানো হয়েছে, যাতে নারী ও শিশুসহ অন্তত ৩০০ জন নিহত এবং সহস্রাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। সাধারণত শিয়া-প্রধান এলাকাগুলো লক্ষ্যবস্তু হলেও এবারের অভিযানে পুরো লেবাননজুড়ে ‘কার্পেট বোম্বিং’ করা হচ্ছে, যার কবলে পড়েছে বৈরুতের আমেরিকান ইউনিভার্সিটির নিকটবর্তী আবাসিক এলাকাগুলোও।
গত বুধবার বৈরুতের একটি অ্যাপার্টমেন্টে বিমান হামলায় একই পরিবারের পাঁচ নারী ও এক শিশু প্রাণ হারান, যারা দক্ষিণ লেবাননের যুদ্ধ থেকে বাঁচতে সেখানে আশ্রয় নিয়েছিলেন। যদিও ১৬ এপ্রিল থেকে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু মাঠপর্যায়ে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। অভিযোগ উঠেছে যে, যুদ্ধবিরতি শুরুর পরপরই দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন গ্রামে ভারী শেল হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। পর্যবেক্ষকদের মতে, ইসরাইল কখনোই পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি মেনে চলেনি, যার প্রমাণ হিসেবে গত নভেম্বরের যুদ্ধবিরতি পরবর্তী সাত মাসে ২৫০ জন লেবাননির মৃত্যুর পরিসংখ্যান তুলে ধরা হচ্ছে।
চলমান এই সংঘাতের ফলে লেবাননে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং নিহতের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অসংখ্য মানুষ আটকা পড়ে আছেন বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকরা ইসরাইলের এই সামরিক অভিযানের ধরনকে গাজায় চালানো গণহত্যার সাথে তুলনা করছেন এবং তাদের মূল লক্ষ্য লেবাননের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে আতঙ্ক ছড়ানো বলে মনে করছেন। আল জাজিরার কলামিস্ট বেলেন ফার্নান্দেজ এই অভিযানকে ইসরাইলের ‘উন্মত্ত ধ্বংসলীলা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যা দেশটির ভবিষ্যৎকে গভীর অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন