তুরস্কের আনতালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামের পার্শ্ববৈঠকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ যাতায়াতের বিষয়ে পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। গত রোববার রাতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের বিশেষ অনুমতি দেওয়া ছয়টি দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় ইরানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই অঞ্চলের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান চলমান সংকট নিরসনে বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, যেকোনো মতভেদ সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের এই গঠনমূলক অবস্থানের প্রশংসা করেন এবং সুবিধাজনক সময়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে তেহরান সফরের আমন্ত্রণ জানান।
এর আগে গত ৫ এপ্রিল ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এক বৈঠকেও ‘বাংলার জয়যাত্রা’ এবং একটি তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সময় ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে বাংলাদেশের সংসদ অধিবেশনে শোক প্রস্তাব গ্রহণ এবং ইরানে চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল তেহরান। দুই দেশ বর্তমানে এই সংকটকালীন সময়ে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করার বিষয়ে একমত হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
তুরস্কের আনতালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামের পার্শ্ববৈঠকে ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাঈদ খাতিবজাদেহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’র নিরাপদ যাতায়াতের বিষয়ে পুনরায় অনুরোধ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। গত রোববার রাতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের বিশেষ অনুমতি দেওয়া ছয়টি দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করায় ইরানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই অঞ্চলের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা উপসাগরীয় অঞ্চলের বর্তমান পরিস্থিতি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান চলমান সংকট নিরসনে বাংলাদেশের ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে সকল পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, যেকোনো মতভেদ সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের এই গঠনমূলক অবস্থানের প্রশংসা করেন এবং সুবিধাজনক সময়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে তেহরান সফরের আমন্ত্রণ জানান।
এর আগে গত ৫ এপ্রিল ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এক বৈঠকেও ‘বাংলার জয়যাত্রা’ এবং একটি তেলবাহী জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে সহযোগিতা চেয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সময় ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে বাংলাদেশের সংসদ অধিবেশনে শোক প্রস্তাব গ্রহণ এবং ইরানে চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিল তেহরান। দুই দেশ বর্তমানে এই সংকটকালীন সময়ে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করার বিষয়ে একমত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন