পাবনার চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের বনগ্রাম বেনিয়াজী দাখিল মাদ্রাসায় ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রবেশপত্র দেওয়ার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।
প্রবেশপত্র ফি: পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রবেশপত্র সংগ্রহের জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ৪৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচনী পরীক্ষার জরিমানা: নির্বাচনী পরীক্ষায় (টেস্ট) কোনো বিষয়ে অকৃতকার্য হলে বিষয়প্রতি ৩০০ টাকা করে জরিমানা আদায়ের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ: অভিভাবকদের দাবি, বোর্ড নির্ধারিত ফি ১,৯৫০ টাকা হলেও ফরম পূরণের সময় ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছিল।
মাদ্রাসার সুপার আফতাব উদ্দিন জানান, ফরম পূরণের সময় শিক্ষার্থীরা কেন্দ্র ফি বাকি রেখেছিল, যা এখন নেওয়া হচ্ছে। তার দাবি অনুযায়ী, মাদ্রাসা অধিদপ্তরের নিয়ম মেনেই সাধারণ বিভাগের জন্য ৪০০ এবং বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ৪৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। তবে বোর্ড নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দেননি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম জানিয়েছেন:
ফরম পূরণের সময়েই কেন্দ্র ফি সহ টাকা নেওয়ার নিয়ম, প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় আলাদা করে টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।
অতিরিক্ত টাকা আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে তা ফেরত দিতে হবে এবং এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
পুরো বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোট: শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, প্রবেশপত্র বিতরণের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা সম্পূর্ণ অবৈধ।
এই ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
পাবনার চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের বনগ্রাম বেনিয়াজী দাখিল মাদ্রাসায় ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রবেশপত্র দেওয়ার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পক্ষ থেকে এ নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়।
প্রবেশপত্র ফি: পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রবেশপত্র সংগ্রহের জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ৪৫০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।
নির্বাচনী পরীক্ষার জরিমানা: নির্বাচনী পরীক্ষায় (টেস্ট) কোনো বিষয়ে অকৃতকার্য হলে বিষয়প্রতি ৩০০ টাকা করে জরিমানা আদায়ের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ: অভিভাবকদের দাবি, বোর্ড নির্ধারিত ফি ১,৯৫০ টাকা হলেও ফরম পূরণের সময় ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছিল।
মাদ্রাসার সুপার আফতাব উদ্দিন জানান, ফরম পূরণের সময় শিক্ষার্থীরা কেন্দ্র ফি বাকি রেখেছিল, যা এখন নেওয়া হচ্ছে। তার দাবি অনুযায়ী, মাদ্রাসা অধিদপ্তরের নিয়ম মেনেই সাধারণ বিভাগের জন্য ৪০০ এবং বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ৪৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। তবে বোর্ড নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দেননি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিউল ইসলাম জানিয়েছেন:
ফরম পূরণের সময়েই কেন্দ্র ফি সহ টাকা নেওয়ার নিয়ম, প্রবেশপত্র দেওয়ার সময় আলাদা করে টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই।
অতিরিক্ত টাকা আদায়ের প্রমাণ পাওয়া গেলে তা ফেরত দিতে হবে এবং এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
পুরো বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোট: শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, প্রবেশপত্র বিতরণের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোনো অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা সম্পূর্ণ অবৈধ।
এই ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহল ও অভিভাবকরা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন