নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্মার্টফোন কিনে না দেওয়ায় কালাম মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম করেছে তার ছেলে সালমান। বুধবার দুপুরে ফতুল্লার ভুইগড় এলাকা থেকে অভিযুক্ত ছেলে সালমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আহত কালাম মিয়া বর্তমানে রাজধানীর ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কালাম মিয়া ও তার ছেলে সালমান ভুইগড় বাজারে কাঁচামাল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন এবং ওই বাজারের কাছেই সপরিবারে বসবাস করতেন। গত কয়েকদিন ধরে সালমান তার বাবার কাছে একটি স্মার্টফোন কিনে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কালাম মিয়া মোবাইল কিনে দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাবা-ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সালমান ঘরে থাকা একটি বটি দিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালায়, এতে কালাম মিয়ার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শহরের খানপুর হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে আইসিইউ না পাওয়ায় পরবর্তীতে তাকে পপুলার হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহাবুবুর আলম জানান, স্মার্টফোন কিনে না দেওয়ায় বাবাকে বটি দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে তার ছেলে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেফতার করেছে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় স্মার্টফোন কিনে না দেওয়ায় কালাম মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম করেছে তার ছেলে সালমান। বুধবার দুপুরে ফতুল্লার ভুইগড় এলাকা থেকে অভিযুক্ত ছেলে সালমানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আহত কালাম মিয়া বর্তমানে রাজধানীর ধানমন্ডির পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কালাম মিয়া ও তার ছেলে সালমান ভুইগড় বাজারে কাঁচামাল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন এবং ওই বাজারের কাছেই সপরিবারে বসবাস করতেন। গত কয়েকদিন ধরে সালমান তার বাবার কাছে একটি স্মার্টফোন কিনে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে কালাম মিয়া মোবাইল কিনে দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাবা-ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে সালমান ঘরে থাকা একটি বটি দিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালায়, এতে কালাম মিয়ার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শহরের খানপুর হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে আইসিইউ না পাওয়ায় পরবর্তীতে তাকে পপুলার হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মাহাবুবুর আলম জানান, স্মার্টফোন কিনে না দেওয়ায় বাবাকে বটি দিয়ে কুপিয়ে জখম করেছে তার ছেলে। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেফতার করেছে।

আপনার মতামত লিখুন