রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, হাসপাতালটির ভবন চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নয়। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তদন্ত প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি এই মন্তব্য করেন। তদন্তে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার কারণেই নবজাতকগুলোর মৃত্যু হয়েছে বলে সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনের বরাতে মন্ত্রী জানান, ৯০০ বর্গফুটের পোস্ট অপারেটিভ কক্ষটিতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি—প্রায় ৫০ জন রোগী ও স্বজন উপস্থিত ছিলেন। কক্ষটিতে দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ থাকা এবং স্বাভাবিক ভেন্টিলেশন না থাকায় অক্সিজেনের ঘাটতি ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ছিল। এছাড়া ওই ওয়ার্ডে কোনো চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছিলেন না এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেবিকাদের কোনো প্রশিক্ষণ ছিল না। সামগ্রিকভাবে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্যক্তিরা পরিচালনার প্রাথমিক শর্তগুলো পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।
এই মর্মান্তিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে আগামী রোববারের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং বিদ্যমান আইনের সর্বোচ্চ কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে। মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বন্ধ করতে এবং সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, হাসপাতালটির ভবন চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপযুক্ত নয়। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তদন্ত প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে তিনি এই মন্তব্য করেন। তদন্তে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার কারণেই নবজাতকগুলোর মৃত্যু হয়েছে বলে সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
তদন্ত প্রতিবেদনের বরাতে মন্ত্রী জানান, ৯০০ বর্গফুটের পোস্ট অপারেটিভ কক্ষটিতে ধারণক্ষমতার চেয়ে অনেক বেশি—প্রায় ৫০ জন রোগী ও স্বজন উপস্থিত ছিলেন। কক্ষটিতে দীর্ঘ সময় এসি বন্ধ থাকা এবং স্বাভাবিক ভেন্টিলেশন না থাকায় অক্সিজেনের ঘাটতি ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ছিল। এছাড়া ওই ওয়ার্ডে কোনো চিকিৎসক দায়িত্ব পালন করছিলেন না এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেবিকাদের কোনো প্রশিক্ষণ ছিল না। সামগ্রিকভাবে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্যক্তিরা পরিচালনার প্রাথমিক শর্তগুলো পালনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন।
এই মর্মান্তিক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে আগামী রোববারের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং বিদ্যমান আইনের সর্বোচ্চ কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে। মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বন্ধ করতে এবং সামগ্রিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন