রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মারের মা রোকেয়া খানম একটি আবেগঘন ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নিজেকে ‘এক গর্বিত বিপ্লবীর মা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি জানান, গত বছরের ১৫ জুলাই আবু সাঈদের শাহাদাত বরণের দিনই তিনি তার একমাত্র ছেলেকে দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করে দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আম্মারকে কেউ ঘৃণা করলে তা দলের জন্য করে, আর ভালোবাসলে তা দেশের জন্য করে।
স্ট্যাটাসে রোকেয়া খানম বিগত বছরগুলোতে তার পরিবারের ওপর হওয়া রাজনৈতিক নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানান, বিএনপি করার কারণে তার আপন ভাইকে উল্টো করে ঝুলিয়ে পেটানো এবং জামায়াত সমর্থনের কারণে তার স্বামীকে কোমরে দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য তিনি দেখেছেন। সেই নির্যাতনের কারণে তার স্বামী আর সুস্থ হতে পারেননি। এমনকি ২০১৮ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে আম্মারকে নির্যাতনের ভয়ে তিনি দূরে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় তাকে ও তার স্বামীকে ডিবি ও আওয়ামী লীগ ঘরবন্দী করে রেখেছিল।
আম্মারের মা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জানান, তার যে ভাইকে একসময় নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল, সেই আপন মামাই এখন আম্মারের বিরুদ্ধে মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, সালাহউদ্দিন যারাই ক্ষমতায় আসুক তাদের প্রশ্ন করবে এবং এর ফলে আপনজনেরাও তার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে। ছেলের কৈশোর কেড়ে নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আম্মারকে থামতে বলার আর কোনো অবকাশ নেই।
রোকেয়া খানম আরও জানান, নিরাপত্তার জন্য না হলেও ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে প্রয়োজনে তিনি জিডি করবেন। শেষে তিনি দল ও মতের ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে সুস্থ রাজনীতি করার আহ্বান জানান। শত শহীদের রক্তের বিনিময়ে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মারের মা রোকেয়া খানম একটি আবেগঘন ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যা বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নিজেকে ‘এক গর্বিত বিপ্লবীর মা’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি জানান, গত বছরের ১৫ জুলাই আবু সাঈদের শাহাদাত বরণের দিনই তিনি তার একমাত্র ছেলেকে দেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করে দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আম্মারকে কেউ ঘৃণা করলে তা দলের জন্য করে, আর ভালোবাসলে তা দেশের জন্য করে।
স্ট্যাটাসে রোকেয়া খানম বিগত বছরগুলোতে তার পরিবারের ওপর হওয়া রাজনৈতিক নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি জানান, বিএনপি করার কারণে তার আপন ভাইকে উল্টো করে ঝুলিয়ে পেটানো এবং জামায়াত সমর্থনের কারণে তার স্বামীকে কোমরে দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য তিনি দেখেছেন। সেই নির্যাতনের কারণে তার স্বামী আর সুস্থ হতে পারেননি। এমনকি ২০১৮ সালে মাত্র ১৬ বছর বয়সে আম্মারকে নির্যাতনের ভয়ে তিনি দূরে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় তাকে ও তার স্বামীকে ডিবি ও আওয়ামী লীগ ঘরবন্দী করে রেখেছিল।
আম্মারের মা বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জানান, তার যে ভাইকে একসময় নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল, সেই আপন মামাই এখন আম্মারের বিরুদ্ধে মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে, সালাহউদ্দিন যারাই ক্ষমতায় আসুক তাদের প্রশ্ন করবে এবং এর ফলে আপনজনেরাও তার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে। ছেলের কৈশোর কেড়ে নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আম্মারকে থামতে বলার আর কোনো অবকাশ নেই।
রোকেয়া খানম আরও জানান, নিরাপত্তার জন্য না হলেও ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে প্রয়োজনে তিনি জিডি করবেন। শেষে তিনি দল ও মতের ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে সুস্থ রাজনীতি করার আহ্বান জানান। শত শহীদের রক্তের বিনিময়ে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশা নিয়ে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।

আপনার মতামত লিখুন