ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ এবং গত ৭ অক্টোবরের ঘটনার আনুষ্ঠানিক তদন্তের দাবিতে তেল আবিবসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে বিশাল গণবিক্ষোভ হয়েছে। শনিবার আয়োজিত এই বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বর্তমান প্রশাসনের ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করেন। ইসরাইলি গণমাধ্যম ‘দ্য টাইমস অব ইসরাইল’ এই খবর নিশ্চিত করেছে।
বিক্ষোভের মূল কেন্দ্র ছিল তেল আবিবের হাবিমা স্কোয়ার, যেখানে পুলিশি বেষ্টনীর মধ্যেই সাধারণ মানুষ সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীরা গাজায় আটকে থাকা বন্দিদের ফিরিয়ে আনতে সরকারের কার্যকর ভূমিকার অভাব এবং বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপের প্রচেষ্টার কঠোর প্রতিবাদ জানান। তারা দাবি করেন, ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতার জন্য একটি নিরপেক্ষ রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা এখন সময়ের দাবি।
জেরুজালেম এবং হাইফার হোরেভ সেন্টারসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও কয়েক হাজার মানুষ এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন। দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা 'মুভমেন্ট ফর কোয়ালিটি গভর্নমেন্ট' এবং বেশ কিছু সুশীল সমাজ গোষ্ঠী এই বিক্ষোভের ডাক দেয়। তবে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিশন গঠন করতে রাজি হননি; তার মতে, এমন কমিশন তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণ করতে পারে।
উল্লেখ্য যে, নেতানিয়াহুর ওপর আন্তর্জাতিক চাপও ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। একই সাথে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতেও ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অভ্যন্তরীণ এই বিক্ষোভ ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে নেতানিয়াহু সরকার বর্তমানে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ এবং গত ৭ অক্টোবরের ঘটনার আনুষ্ঠানিক তদন্তের দাবিতে তেল আবিবসহ দেশটির বিভিন্ন শহরে বিশাল গণবিক্ষোভ হয়েছে। শনিবার আয়োজিত এই বিক্ষোভে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বর্তমান প্রশাসনের ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করেন। ইসরাইলি গণমাধ্যম ‘দ্য টাইমস অব ইসরাইল’ এই খবর নিশ্চিত করেছে।
বিক্ষোভের মূল কেন্দ্র ছিল তেল আবিবের হাবিমা স্কোয়ার, যেখানে পুলিশি বেষ্টনীর মধ্যেই সাধারণ মানুষ সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীরা গাজায় আটকে থাকা বন্দিদের ফিরিয়ে আনতে সরকারের কার্যকর ভূমিকার অভাব এবং বিচার বিভাগের ওপর হস্তক্ষেপের প্রচেষ্টার কঠোর প্রতিবাদ জানান। তারা দাবি করেন, ৭ অক্টোবরের ব্যর্থতার জন্য একটি নিরপেক্ষ রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা এখন সময়ের দাবি।
জেরুজালেম এবং হাইফার হোরেভ সেন্টারসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানেও কয়েক হাজার মানুষ এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন। দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা 'মুভমেন্ট ফর কোয়ালিটি গভর্নমেন্ট' এবং বেশ কিছু সুশীল সমাজ গোষ্ঠী এই বিক্ষোভের ডাক দেয়। তবে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এখন পর্যন্ত কোনো তদন্ত কমিশন গঠন করতে রাজি হননি; তার মতে, এমন কমিশন তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণ করতে পারে।
উল্লেখ্য যে, নেতানিয়াহুর ওপর আন্তর্জাতিক চাপও ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। একই সাথে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতেও ইসরাইলের বিরুদ্ধে গণহত্যার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। অভ্যন্তরীণ এই বিক্ষোভ ও আন্তর্জাতিক চাপের মুখে নেতানিয়াহু সরকার বর্তমানে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।

আপনার মতামত লিখুন