প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা। রোববার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এই মন্তব্য করেন। সংসদ সদস্যরা জানান, নির্বাচনি অঙ্গীকার সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে ইতোমধ্যে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অন্যদিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, সবকিছু আইনি কাঠামোর মধ্যেই সম্পন্ন হবে এবং বিরোধী দলের বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারে জনগণ বিভ্রান্ত হবে না। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রায় দুই দশক পর দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র চর্চার উপযোগী সংসদ গঠিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
আলোচনায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান ও তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে বিরোধী দলের ছড়ানো তথ্যের সমালোচনা করেন। রাজিব আহসান জানান, গেজেট অনুযায়ী শহীদের সংখ্যা ৮৩৪ হলেও বিরোধী দল বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে। ইয়াসের খান চৌধুরী এ বিষয়ে নতুন কোনো বিতর্ক সৃষ্টি না করতে বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানান।
সংসদীয় এই আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত এবং ঢাকা-১৬ আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল বাতেনও অংশ নেন। এছাড়া বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের সদস্যসহ বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। ১২ মার্চ শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই বাংলাদেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা। রোববার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এই মন্তব্য করেন। সংসদ সদস্যরা জানান, নির্বাচনি অঙ্গীকার সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে ইতোমধ্যে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অন্যদিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, সবকিছু আইনি কাঠামোর মধ্যেই সম্পন্ন হবে এবং বিরোধী দলের বিভ্রান্তিকর অপপ্রচারে জনগণ বিভ্রান্ত হবে না। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ প্রায় দুই দশক পর দেশে প্রকৃত গণতন্ত্র চর্চার উপযোগী সংসদ গঠিত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন।
আলোচনায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান ও তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী জুলাই অভ্যুত্থান নিয়ে বিরোধী দলের ছড়ানো তথ্যের সমালোচনা করেন। রাজিব আহসান জানান, গেজেট অনুযায়ী শহীদের সংখ্যা ৮৩৪ হলেও বিরোধী দল বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে। ইয়াসের খান চৌধুরী এ বিষয়ে নতুন কোনো বিতর্ক সৃষ্টি না করতে বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানান।
সংসদীয় এই আলোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য মো. আবুল হাসনাত এবং ঢাকা-১৬ আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল বাতেনও অংশ নেন। এছাড়া বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের সদস্যসহ বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। ১২ মার্চ শুরু হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন