লেবাননের বৈরুতে ইসরাইলি বিমান হামলার পর চলমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, আকাশপথে ধেয়ে আসা এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ সক্রিয় রয়েছে।
ইরানের অভিজাত বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এই হামলার দায় স্বীকার করে দাবি করেছে, তারা উত্তর ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ‘রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি’ লক্ষ্য করে এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসির পক্ষ থেকে ইসরাইলকে অবিলম্বে লেবাননের বিরুদ্ধে সব ধরনের সামরিক অভিযান ও হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত হওয়ার পরপরই হাইফা এবং উত্তর ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়। আইডিএফ দাবি করেছে, প্রথম ধাপে ধেয়ে আসা সবকটি ক্ষেপণাস্ত্রই সফলভাবে ভূপাতিত করা সম্ভব হয়েছে, তবে এরপরও ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ‘আরও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ’ করা হয়েছে। বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলের প্রাণঘাতী হামলার পর থেকেই সম্ভাব্য ইরানি হামলার আশঙ্কায় ইসরাইলি বাহিনী আগে থেকেই ‘উচ্চ সতর্ক অবস্থায়’ ছিল।
এদিকে, ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের খবর নিশ্চিত হওয়ার ঠিক কয়েক মিনিট পরই ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে একটি পোস্ট করেন। তিনি সেখানে লেখেন, "আজ রাতে তেহরানকে অবশ্যই পুড়তে হবে!" এই পালটাপালটি হামলা ও উত্তেজনাকর বিবৃতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি চরম হুমকির মুখে পড়েছে।

সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জুন ২০২৬
লেবাননের বৈরুতে ইসরাইলি বিমান হামলার পর চলমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরাইলকে লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, আকাশপথে ধেয়ে আসা এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ সক্রিয় রয়েছে।
ইরানের অভিজাত বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এই হামলার দায় স্বীকার করে দাবি করেছে, তারা উত্তর ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা ‘রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি’ লক্ষ্য করে এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসির পক্ষ থেকে ইসরাইলকে অবিলম্বে লেবাননের বিরুদ্ধে সব ধরনের সামরিক অভিযান ও হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত হওয়ার পরপরই হাইফা এবং উত্তর ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়। আইডিএফ দাবি করেছে, প্রথম ধাপে ধেয়ে আসা সবকটি ক্ষেপণাস্ত্রই সফলভাবে ভূপাতিত করা সম্ভব হয়েছে, তবে এরপরও ইসরাইলকে লক্ষ্য করে ‘আরও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ’ করা হয়েছে। বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে ইসরাইলের প্রাণঘাতী হামলার পর থেকেই সম্ভাব্য ইরানি হামলার আশঙ্কায় ইসরাইলি বাহিনী আগে থেকেই ‘উচ্চ সতর্ক অবস্থায়’ ছিল।
এদিকে, ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের খবর নিশ্চিত হওয়ার ঠিক কয়েক মিনিট পরই ইসরাইলের কট্টর ডানপন্থি জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে একটি পোস্ট করেন। তিনি সেখানে লেখেন, "আজ রাতে তেহরানকে অবশ্যই পুড়তে হবে!" এই পালটাপালটি হামলা ও উত্তেজনাকর বিবৃতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি চরম হুমকির মুখে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন