ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছেছেন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারিত বৈঠকে অংশ নিতে তিনি সেখানে যান বলে নিশ্চিত করেছে ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ। আরাগচিকে বহনকারী ফ্লাইটটির কলসাইন ছিল ‘মিনাব ১৬৮’, যা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত শিশুদের স্মরণে রাখা হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় আরাগচির এই ঝটিকা সফরকে ইরান সরকারের একটি বৃহৎ কূটনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। সেন্ট পিটার্সবার্গে আসার আগে তিনি ইসলামাবাদ ও মাস্কাট সফর করেন। এই ধারাবাহিক সফরের মাধ্যমে ইরান অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব সুসংহত করার পাশাপাশি আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে কৌশলগত সমন্বয় বৃদ্ধির স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে।
এই সফরে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে হরমুজ প্রণালী ইস্যু। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অবরোধ তৈরির চেষ্টা করলেও ইরান তা প্রত্যাখ্যান করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি স্পষ্ট করেছেন যে, এই প্রণালী তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নিরাপদ চলাচলের পথ বের করতে আলোচনা প্রয়োজন।
দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের কৌশলগত মিত্রতা রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান রাশিয়ার কাছ থেকে জোরালো রাজনৈতিক সমর্থন নিশ্চিত করতে চাইছে। বিশ্লেষকদের মতে, মস্কোর সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তেহরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছেছেন। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারিত বৈঠকে অংশ নিতে তিনি সেখানে যান বলে নিশ্চিত করেছে ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ। আরাগচিকে বহনকারী ফ্লাইটটির কলসাইন ছিল ‘মিনাব ১৬৮’, যা গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত শিশুদের স্মরণে রাখা হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় আরাগচির এই ঝটিকা সফরকে ইরান সরকারের একটি বৃহৎ কূটনৈতিক পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। সেন্ট পিটার্সবার্গে আসার আগে তিনি ইসলামাবাদ ও মাস্কাট সফর করেন। এই ধারাবাহিক সফরের মাধ্যমে ইরান অঞ্চলে নিজেদের প্রভাব সুসংহত করার পাশাপাশি আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে কৌশলগত সমন্বয় বৃদ্ধির স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে।
এই সফরে বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে হরমুজ প্রণালী ইস্যু। যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে অবরোধ তৈরির চেষ্টা করলেও ইরান তা প্রত্যাখ্যান করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি স্পষ্ট করেছেন যে, এই প্রণালী তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নিরাপদ চলাচলের পথ বের করতে আলোচনা প্রয়োজন।
দীর্ঘদিন ধরে রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের কৌশলগত মিত্রতা রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরান রাশিয়ার কাছ থেকে জোরালো রাজনৈতিক সমর্থন নিশ্চিত করতে চাইছে। বিশ্লেষকদের মতে, মস্কোর সঙ্গে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে তেহরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।

আপনার মতামত লিখুন