আগামী জুলাই মাস থেকে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ড্রেস, ব্যাগ ও জুতা বিতরণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এই কর্মসূচি পাইলট প্রকল্প হিসেবে প্রতি উপজেলার দুটি করে স্কুলে চালু করা হবে। বুধবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের ড্রেস ও ব্যাগের ডিজাইন চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই মহতী উদ্যোগে সরকারের পাশাপাশি দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরাও সম্পৃক্ত হয়েছেন। বিজিএমইএ-এর পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে এক লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রদানের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। জুলাই মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম প্রতিটি উপজেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্প্রসারণ করা হবে। সারা দেশের সব ছেলে শিক্ষার্থী একই রঙের পোশাক, জুতা ও ব্যাগ পাবে এবং মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্যও নির্ধারিত থাকবে একই ধরনের উপকরণ। এর মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোতে সমতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।
রাষ্ট্র ও ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে গৃহীত এই কর্মসূচি আগামী অর্থবছর থেকে আরও বড় পরিসরে বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বই, খাবার এবং পোশাকের জন্য অভিভাবকদের আর কোনো অর্থ ব্যয় করতে হবে না। অসহায় পরিবারের শিশুদের শিক্ষা গ্রহণের পথে আর্থিক বাধা দূর করতেই সরকার সংবিধান প্রদত্ত শিক্ষার অধিকার বাস্তবায়নে এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
আগামী জুলাই মাস থেকে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ড্রেস, ব্যাগ ও জুতা বিতরণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এই কর্মসূচি পাইলট প্রকল্প হিসেবে প্রতি উপজেলার দুটি করে স্কুলে চালু করা হবে। বুধবার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের ড্রেস ও ব্যাগের ডিজাইন চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই মহতী উদ্যোগে সরকারের পাশাপাশি দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরাও সম্পৃক্ত হয়েছেন। বিজিএমইএ-এর পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে এক লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ প্রদানের প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে। জুলাই মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম প্রতিটি উপজেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্প্রসারণ করা হবে। সারা দেশের সব ছেলে শিক্ষার্থী একই রঙের পোশাক, জুতা ও ব্যাগ পাবে এবং মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্যও নির্ধারিত থাকবে একই ধরনের উপকরণ। এর মাধ্যমে বিদ্যালয়গুলোতে সমতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা হবে বলে সভায় জানানো হয়।
রাষ্ট্র ও ব্যবসায়ীদের যৌথ উদ্যোগে গৃহীত এই কর্মসূচি আগামী অর্থবছর থেকে আরও বড় পরিসরে বাস্তবায়ন করা হবে। এর ফলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বই, খাবার এবং পোশাকের জন্য অভিভাবকদের আর কোনো অর্থ ব্যয় করতে হবে না। অসহায় পরিবারের শিশুদের শিক্ষা গ্রহণের পথে আর্থিক বাধা দূর করতেই সরকার সংবিধান প্রদত্ত শিক্ষার অধিকার বাস্তবায়নে এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন