ঢাকা নিউজ

পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সরকারের সমালোচনা করলেন বিরোধীদলীয় নেতা



পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সরকারের সমালোচনা করলেন বিরোধীদলীয় নেতা
ছবি : সংগৃহীত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ভয়াবহ হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের নীরব ভূমিকা নিয়ে জাতীয় সংসদে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির। সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের এক সাক্ষাৎকারের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন একটি বন্ধুরাষ্ট্রকে বলতে হলো যে চরম দুঃখের সময়ে তারা বাংলাদেশকে পাশে পায়নি।

গত বছর ইরানে চালানো ওই হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন এবং একটি স্কুলে হামলায় প্রাণ হারায় ১৪২ শিশু। এই মর্মান্তিক ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হলেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক শোক বা অবস্থান জানানো হয়নি। ইরানি রাষ্ট্রদূত বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলেও দুঃসময়ে পাশে থাকাদের কথা সবসময় মনে রাখা হবে।

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সরকারের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বাংলাদেশের নীতি হওয়া উচিত মজলুমের পাশে থাকা এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিবাদ হতে হবে নিজের ভাষায়, কারও শিখিয়ে দেওয়া ভাষায় নয়।

পররাষ্ট্র সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জামায়াত আমির আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য অনেক বন্ধুর প্রয়োজন থাকলেও কোনো প্রভুর প্রয়োজন নেই। সরকারের এমন অবস্থানের কারণে দীর্ঘদিনের বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬


পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে সরকারের সমালোচনা করলেন বিরোধীদলীয় নেতা

প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬

featured Image

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ভয়াবহ হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের নীরব ভূমিকা নিয়ে জাতীয় সংসদে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির। সম্প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূতের এক সাক্ষাৎকারের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন একটি বন্ধুরাষ্ট্রকে বলতে হলো যে চরম দুঃখের সময়ে তারা বাংলাদেশকে পাশে পায়নি।

গত বছর ইরানে চালানো ওই হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন এবং একটি স্কুলে হামলায় প্রাণ হারায় ১৪২ শিশু। এই মর্মান্তিক ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হলেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক শোক বা অবস্থান জানানো হয়নি। ইরানি রাষ্ট্রদূত বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, যুদ্ধ শেষ হয়ে গেলেও দুঃসময়ে পাশে থাকাদের কথা সবসময় মনে রাখা হবে।

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সরকারের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বাংলাদেশের নীতি হওয়া উচিত মজলুমের পাশে থাকা এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিবাদ হতে হবে নিজের ভাষায়, কারও শিখিয়ে দেওয়া ভাষায় নয়।

পররাষ্ট্র সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে জামায়াত আমির আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য অনেক বন্ধুর প্রয়োজন থাকলেও কোনো প্রভুর প্রয়োজন নেই। সরকারের এমন অবস্থানের কারণে দীর্ঘদিনের বন্ধুরাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ