অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তিটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বুধবার সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে তিনি এই দাবি তোলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে রুমিন ফারহানা চুক্তির বিভিন্ন ধারা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
রুমিন ফারহানা উল্লেখ করেন, গত ৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। সেই সময় দেশের সুশীল সমাজ ও থিংক ট্যাংকগুলো আপত্তি জানিয়ে বলেছিল যে, একটি অনির্বাচিত সরকার এ ধরনের চুক্তি সই করতে পারে না। তিনি দাবি করেন, এই চুক্তিতে অনেকগুলো ধারা রয়েছে যা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থবিরোধী। নিয়ম অনুযায়ী, সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এই চুক্তি বাতিল করার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।
তার বক্তব্যে উঠে আসে মঙ্গলবার বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের বৈঠকের বিষয়টিও। সেখানে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ, কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানি এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতি সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রুমিন ফারহানা মনে করেন, যেহেতু এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তাই নির্বাচিত সরকারের উচিত চুক্তিটি সংসদে আলোচনা করা।
তবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তার এই বক্তব্যকে ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’ হিসেবে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। স্পিকার বলেন, সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী নতুন কোনো প্রশ্ন এভাবে উত্থাপন করা যায় না। তিনি সংসদ সদস্যকে যথাযথ নোটিশ প্রদানের পরামর্শ দেন এবং জানান যে, বিধি মোতাবেক নোটিশ দিলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। রুমিন ফারহানা পুনরায় সময় চেয়ে চুক্তিটি সংসদে আনার জোর দাবি জানালেও স্পিকার তা নাকচ করে দেন।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত বাণিজ্য চুক্তিটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বুধবার সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে তিনি এই দাবি তোলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে রুমিন ফারহানা চুক্তির বিভিন্ন ধারা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
রুমিন ফারহানা উল্লেখ করেন, গত ৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। সেই সময় দেশের সুশীল সমাজ ও থিংক ট্যাংকগুলো আপত্তি জানিয়ে বলেছিল যে, একটি অনির্বাচিত সরকার এ ধরনের চুক্তি সই করতে পারে না। তিনি দাবি করেন, এই চুক্তিতে অনেকগুলো ধারা রয়েছে যা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থবিরোধী। নিয়ম অনুযায়ী, সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এই চুক্তি বাতিল করার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি সংসদকে অবহিত করেন।
তার বক্তব্যে উঠে আসে মঙ্গলবার বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের বৈঠকের বিষয়টিও। সেখানে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি পূরণ, কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানি এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতি সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়েছে। রুমিন ফারহানা মনে করেন, যেহেতু এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তাই নির্বাচিত সরকারের উচিত চুক্তিটি সংসদে আলোচনা করা।
তবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তার এই বক্তব্যকে ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’ হিসেবে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। স্পিকার বলেন, সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী নতুন কোনো প্রশ্ন এভাবে উত্থাপন করা যায় না। তিনি সংসদ সদস্যকে যথাযথ নোটিশ প্রদানের পরামর্শ দেন এবং জানান যে, বিধি মোতাবেক নোটিশ দিলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। রুমিন ফারহানা পুনরায় সময় চেয়ে চুক্তিটি সংসদে আনার জোর দাবি জানালেও স্পিকার তা নাকচ করে দেন।

আপনার মতামত লিখুন