ইরানের বন্দরগুলোতে সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদী অবরোধের প্রভাব নিয়ে তেল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বুধবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মূলত ইরানের তেল রপ্তানি সীমিত করতে নৌ অবরোধ জোরদার করার মাধ্যমে দেশটিকে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে বাধ্য করাই ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য।
এই অবরোধ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক লাফে ৬ শতাংশের বেশি বেড়ে গত এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বৈঠকে অবরোধ চলাকালীন বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং মার্কিন ভোক্তাদের ওপর প্রভাব কমানোর কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এদিকে সংঘাত নিরসনে পাকিস্তান মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করলেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের পাল্টাপাল্টি হুমকির মধ্যে পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত রয়েছে।
ইরান সতর্কবার্তা দিয়েছে যে, তাদের ওপর চাপ অব্যাহত থাকলে তারা হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত করবে, যা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহে বড় সংকট তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, ইরান চাইলে আলোচনায় বসতে পারে, তবে তারা এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। এদিকে পেন্টাগন জানিয়েছে, বর্তমান যুদ্ধের কারণে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে এবং নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র 'ম্যারিটাইম ফ্রিডম কনস্ট্রাক্ট' নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক জোট গঠনের চেষ্টা করছে। তবে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ জানিয়েছে, সংঘাত পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা সরাসরি এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে না। বর্তমানে ইরানের অর্থনীতিও চরম সংকটে রয়েছে, যেখানে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি ৬৫.৮ শতাংশে পৌঁছেছে এবং মুদ্রার মান রেকর্ড পরিমাণ কমে গেছে।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের বন্দরগুলোতে সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদী অবরোধের প্রভাব নিয়ে তেল কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বুধবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মূলত ইরানের তেল রপ্তানি সীমিত করতে নৌ অবরোধ জোরদার করার মাধ্যমে দেশটিকে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে বাধ্য করাই ওয়াশিংটনের মূল লক্ষ্য।
এই অবরোধ দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক লাফে ৬ শতাংশের বেশি বেড়ে গত এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বৈঠকে অবরোধ চলাকালীন বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং মার্কিন ভোক্তাদের ওপর প্রভাব কমানোর কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এদিকে সংঘাত নিরসনে পাকিস্তান মধ্যস্থতা করার চেষ্টা করলেও ওয়াশিংটন ও তেহরানের পাল্টাপাল্টি হুমকির মধ্যে পরিস্থিতি এখনো উত্তপ্ত রয়েছে।
ইরান সতর্কবার্তা দিয়েছে যে, তাদের ওপর চাপ অব্যাহত থাকলে তারা হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত করবে, যা মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহে বড় সংকট তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, ইরান চাইলে আলোচনায় বসতে পারে, তবে তারা এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। এদিকে পেন্টাগন জানিয়েছে, বর্তমান যুদ্ধের কারণে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে এবং নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র 'ম্যারিটাইম ফ্রিডম কনস্ট্রাক্ট' নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক জোট গঠনের চেষ্টা করছে। তবে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যসহ কয়েকটি দেশ জানিয়েছে, সংঘাত পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা সরাসরি এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে না। বর্তমানে ইরানের অর্থনীতিও চরম সংকটে রয়েছে, যেখানে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি ৬৫.৮ শতাংশে পৌঁছেছে এবং মুদ্রার মান রেকর্ড পরিমাণ কমে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন