নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে ফলদ গাছ উপড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আধঘণ্টার এই ঝড়ে পুরো উপজেলা লন্ডভন্ড হয়ে যায় এবং অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ঝড়ে বড় কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও অসংখ্য আধাপাকা বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুর্গাপুর পৌরসভার পূর্ববাগিচাপাড়া এলাকায় একটি বিশাল জামগাছ বসতঘরের ওপর উপড়ে পড়লে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান আছমা খাতুন নামের এক বিধবা নারী ও তার পরিবার। গাছ পড়ে ঘরটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়ায় বর্তমানে নাতি ও অসুস্থ সন্তান নিয়ে তিনি চরম বিপাকে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত আছমা খাতুন জানান, অন্যের বাড়িতে কাজ করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করেন এবং বর্তমানে তার ঘর মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই।
ঘটনার পরপরই উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ জামাল উদ্দিন মাস্টার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার সহায়তা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তিনি অসহায় এই পরিবারটিকে সাহায্য করতে বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান। স্থানীয় বাসিন্দারাও দরিদ্র এই পরিবারটিকে সরকারি সহযোগিতা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।
ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি সম্পর্কে প্রশাসন অবগত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির ঘর থেকে গাছ সরিয়ে নেওয়াসহ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে ফলদ গাছ উপড়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে আধঘণ্টার এই ঝড়ে পুরো উপজেলা লন্ডভন্ড হয়ে যায় এবং অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ঝড়ে বড় কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও অসংখ্য আধাপাকা বসতঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুর্গাপুর পৌরসভার পূর্ববাগিচাপাড়া এলাকায় একটি বিশাল জামগাছ বসতঘরের ওপর উপড়ে পড়লে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান আছমা খাতুন নামের এক বিধবা নারী ও তার পরিবার। গাছ পড়ে ঘরটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়ায় বর্তমানে নাতি ও অসুস্থ সন্তান নিয়ে তিনি চরম বিপাকে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত আছমা খাতুন জানান, অন্যের বাড়িতে কাজ করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করেন এবং বর্তমানে তার ঘর মেরামতের কোনো সামর্থ্য নেই।
ঘটনার পরপরই উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ জামাল উদ্দিন মাস্টার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে নগদ অর্থ ও শুকনো খাবার সহায়তা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তিনি অসহায় এই পরিবারটিকে সাহায্য করতে বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান। স্থানীয় বাসিন্দারাও দরিদ্র এই পরিবারটিকে সরকারি সহযোগিতা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।
ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি সম্পর্কে প্রশাসন অবগত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির ঘর থেকে গাছ সরিয়ে নেওয়াসহ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন