ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শনিবার সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে, তিনি কসবা উপজেলার ধজনগর গ্রামের মো. হেবজু মিয়ার ছেলে মো. মুরসালিন (২০)। অপর নিহতের নাম এখনো জানা যায়নি।
বিজিবি জানায়, শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১টা ৫ মিনিটে ১৫ জন বাংলাদেশি ও ভারতীয় সহযোগীরা মিলে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ধজনগর-পাথারিয়াদ্বার এলাকায় প্রবেশ করে। পরে ফেরার সময় বিএসএফের ৪৯ ব্যাটালিয়নের টহল দল তাদের বাধা দিলে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা ছররা বন্দুক থেকে গুলি ছুড়লে মুরসালিনসহ দুইজন গুরুতর আহত হন। তাদের ভারতের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।
৬০ বিজিবি সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং একটি প্রতিবাদলিপি (প্রটেস্ট নোট) পাঠানো হয়েছে। বিএসএফ জানিয়েছে যে, হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশগুলো বাংলাদেশে ফেরত দেওয়া হবে।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত মুরসালিন একজন কলেজ ছাত্র ছিলেন। অন্যদিকে, বিজিবি তাদের প্রাথমিক তথ্যে জানিয়েছে যে নিহতরা আগে থেকেই চোরাচালানি মালামাল পরিবহণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। শনিবার সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে, তিনি কসবা উপজেলার ধজনগর গ্রামের মো. হেবজু মিয়ার ছেলে মো. মুরসালিন (২০)। অপর নিহতের নাম এখনো জানা যায়নি।
বিজিবি জানায়, শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১টা ৫ মিনিটে ১৫ জন বাংলাদেশি ও ভারতীয় সহযোগীরা মিলে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে ধজনগর-পাথারিয়াদ্বার এলাকায় প্রবেশ করে। পরে ফেরার সময় বিএসএফের ৪৯ ব্যাটালিয়নের টহল দল তাদের বাধা দিলে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে বিএসএফ সদস্যরা ছররা বন্দুক থেকে গুলি ছুড়লে মুরসালিনসহ দুইজন গুরুতর আহত হন। তাদের ভারতের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।
৬০ বিজিবি সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং একটি প্রতিবাদলিপি (প্রটেস্ট নোট) পাঠানো হয়েছে। বিএসএফ জানিয়েছে যে, হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে লাশগুলো বাংলাদেশে ফেরত দেওয়া হবে।
কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম জানিয়েছেন, নিহত মুরসালিন একজন কলেজ ছাত্র ছিলেন। অন্যদিকে, বিজিবি তাদের প্রাথমিক তথ্যে জানিয়েছে যে নিহতরা আগে থেকেই চোরাচালানি মালামাল পরিবহণের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন