সাম্রাজ্যবাদী চিন্তা ও শোষণের নীতির ভবিষ্যতের বিশ্বে কোনো স্থান হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ইরানের নীতি পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আরও উল্লেখ করেন, সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতা ও শোষণের রাজনীতি ভবিষ্যতের পৃথিবীতে টিকতে পারবে না। সহনশীলতা ইরানি সংস্কৃতির গভীরে প্রোথিত এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রাম দেশটির ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেশের অগ্রগতি ও জাতীয় পরিচয় রক্ষার এই যাত্রা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি অঙ্গীকার করেন।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগজি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, যখনই কোনো কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ তৈরি হয়, তখনই যুক্তরাষ্ট্র দায়িত্বহীন সামরিক তৎপরতার পথ বেছে নেয়।
আরাগজি প্রশ্ন তোলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের এই আচরণ কি কেবল চাপ প্রয়োগের চেষ্টা, নাকি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আরেকটি জটিল সংঘাতে জড়িয়ে ফেলার একটি ফলাফল। এই সামরিক তৎপরতা কূটনৈতিক সমাধানের পথকে বাধাগ্রস্ত করছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
সাম্রাজ্যবাদী চিন্তা ও শোষণের নীতির ভবিষ্যতের বিশ্বে কোনো স্থান হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ইরানের নীতি পারস্পরিক সম্মান ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আরও উল্লেখ করেন, সাম্রাজ্যবাদী মানসিকতা ও শোষণের রাজনীতি ভবিষ্যতের পৃথিবীতে টিকতে পারবে না। সহনশীলতা ইরানি সংস্কৃতির গভীরে প্রোথিত এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রাম দেশটির ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দেশের অগ্রগতি ও জাতীয় পরিচয় রক্ষার এই যাত্রা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি অঙ্গীকার করেন।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগজি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, যখনই কোনো কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ তৈরি হয়, তখনই যুক্তরাষ্ট্র দায়িত্বহীন সামরিক তৎপরতার পথ বেছে নেয়।
আরাগজি প্রশ্ন তোলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের এই আচরণ কি কেবল চাপ প্রয়োগের চেষ্টা, নাকি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আরেকটি জটিল সংঘাতে জড়িয়ে ফেলার একটি ফলাফল। এই সামরিক তৎপরতা কূটনৈতিক সমাধানের পথকে বাধাগ্রস্ত করছে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

আপনার মতামত লিখুন