ওমানের মুলাদ্দা এলাকায় একটি গাড়ির ভেতর থেকে একই পরিবারের চার বাংলাদেশি সহোদরের লাশ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। নিহতরা হলেন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের রাসেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম। বুধবার সকালে স্থানীয় লোকজন গাড়ির ভেতর তাদের অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি সামনে আসে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে এই চার ভাই দীর্ঘদিন ধরে ওমানে অবস্থান করছিলেন। তাদের এক ভাইয়ের বিয়ে ঠিক হওয়ায় বাড়িতে আনন্দের প্রস্তুতি চলছিল এবং কেনাকাটার জন্য তারা চারজন একসঙ্গে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত ক্লান্তির কারণে গাড়ির ভেতর এসি চালিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে গ্যাস লিকেজ বা বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।
হৃদয়বিদারক এই সংবাদটি ওমানে থাকা তাদের এক আত্মীয়ের মাধ্যমে দেশে পৌঁছালে নিহতের পরিবার ও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতদের মধ্যে দুই ভাইয়ের খুব শীঘ্রই বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেশে ফেরার কথা ছিল। বর্তমানে তাদের লাশ স্থানীয় রোস্তাক থানার হেফাজতে রয়েছে এবং মাস্কাটে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে বর্তমানে নিবিড় তদন্ত চালানো হচ্ছে। স্বজনরা এখন কেবল চার ভাইয়ের মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন। শোকাতুর বাড়িতে বিয়ের সানাইয়ের বদলে এখন কেবলই কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
ওমানের মুলাদ্দা এলাকায় একটি গাড়ির ভেতর থেকে একই পরিবারের চার বাংলাদেশি সহোদরের লাশ উদ্ধার করেছে দেশটির পুলিশ। নিহতরা হলেন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার লালানগর ইউনিয়নের রাসেদুল ইসলাম, শাহেদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও শহিদুল ইসলাম। বুধবার সকালে স্থানীয় লোকজন গাড়ির ভেতর তাদের অচেতন অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি সামনে আসে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে এই চার ভাই দীর্ঘদিন ধরে ওমানে অবস্থান করছিলেন। তাদের এক ভাইয়ের বিয়ে ঠিক হওয়ায় বাড়িতে আনন্দের প্রস্তুতি চলছিল এবং কেনাকাটার জন্য তারা চারজন একসঙ্গে গাড়ি নিয়ে বের হয়েছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত ক্লান্তির কারণে গাড়ির ভেতর এসি চালিয়ে ঘুমিয়ে পড়লে গ্যাস লিকেজ বা বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।
হৃদয়বিদারক এই সংবাদটি ওমানে থাকা তাদের এক আত্মীয়ের মাধ্যমে দেশে পৌঁছালে নিহতের পরিবার ও পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহতদের মধ্যে দুই ভাইয়ের খুব শীঘ্রই বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে দেশে ফেরার কথা ছিল। বর্তমানে তাদের লাশ স্থানীয় রোস্তাক থানার হেফাজতে রয়েছে এবং মাস্কাটে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
দেশটির পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে বর্তমানে নিবিড় তদন্ত চালানো হচ্ছে। স্বজনরা এখন কেবল চার ভাইয়ের মরদেহ দেশে ফেরার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন। শোকাতুর বাড়িতে বিয়ের সানাইয়ের বদলে এখন কেবলই কান্নার শব্দ শোনা যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন