সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাহাদিপ ও মনির পক্ষের লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ দুটি বিলের দখল নিয়ে উত্তেজনার জেরে এই হামলার সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলীনগর গ্রামের দুটি বিল দীর্ঘদিন ধরে মনির পক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেগুলোর দখল নেন ইউপি সদস্য সাহাদিপ ও তার লোকজন। মঙ্গলবার বিকেলে সাহাদিপের অনুসারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মনির পক্ষের ওপর আক্রমণ চালালে দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলে। এতে ধারালো অস্ত্র ও রডের আঘাতে মনির পক্ষের ৩০ জন এবং সাহাদিপ পক্ষের ১০ জন আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে রাত ১১টার দিকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ইউপি সদস্য সাহাদিপের পক্ষ থেকে তাদের ওপর একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। হামলার সময় অনেকে হাওরে ধান কাটায় ব্যস্ত থাকায় খবর পেয়ে বাড়িতে ফিরে স্বজনদের রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর তারা পেয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাহাদিপ ও মনির পক্ষের লোকজনের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দীর্ঘদিনের বিরোধপূর্ণ দুটি বিলের দখল নিয়ে উত্তেজনার জেরে এই হামলার সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলীনগর গ্রামের দুটি বিল দীর্ঘদিন ধরে মনির পক্ষের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেগুলোর দখল নেন ইউপি সদস্য সাহাদিপ ও তার লোকজন। মঙ্গলবার বিকেলে সাহাদিপের অনুসারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মনির পক্ষের ওপর আক্রমণ চালালে দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলে। এতে ধারালো অস্ত্র ও রডের আঘাতে মনির পক্ষের ৩০ জন এবং সাহাদিপ পক্ষের ১০ জন আহত হন।
আহতদের উদ্ধার করে রাত ১১টার দিকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ইউপি সদস্য সাহাদিপের পক্ষ থেকে তাদের ওপর একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। হামলার সময় অনেকে হাওরে ধান কাটায় ব্যস্ত থাকায় খবর পেয়ে বাড়িতে ফিরে স্বজনদের রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান।
দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর তারা পেয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ নিশ্চিত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন