তীব্র গরমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে শসা, তরমুজ, ডাব, টকদই ও লেবুর শরবতের মতো খাবার নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীর থেকে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো জরুরি খনিজ বেরিয়ে যাওয়ায় দ্রুত ক্লান্তি ও ডিহাইড্রেশন দেখা দেয়। এই অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা বলা হয়।
শরীরে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের জোগান দিতে ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট হিসেবে কাজ করে যা শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখে। পাশাপাশি যারা দীর্ঘক্ষণ রোদে কাজ করেন, তাদের জন্য স্যালাইন খাওয়া জরুরি, কারণ এটি সোডিয়াম ও শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। সুস্থ থাকতে দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার পানি পান করার পাশাপাশি ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।
অতিরিক্ত ঘামে রক্তচাপ কমে গেলে লেবুর শরবতের সঙ্গে সামান্য লবণ ও চিনি মিশিয়ে খেলে দ্রুত ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য ফিরে আসে। এটি ভিটামিন 'সি'র চাহিদা মিটিয়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। এছাড়া ঘোল বা মাঠা শরীরের সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণে অত্যন্ত কার্যকর। দুপুরের রোদে বাইরে থেকে ফিরে এক গ্লাস ঠান্ডা ঘোল শরীরের সতেজতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
গ্রীষ্মকালীন ফল হিসেবে তরমুজে প্রায় ৯২ শতাংশ পানি থাকে, যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে আদর্শ। এছাড়া বেল ও বাঙ্গির মতো মৌসুমি রসালো ফল পেশির টান কমাতে এবং খনিজ লবণের ভারসাম্য বজায় রাখতে দারুণ কার্যকর। তবে প্যাকেটজাত ফলের রস এড়িয়ে চিনি ছাড়া তাজা ফলের রস খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা হৃৎপিণ্ডকেও ভালো রাখতে সহায়তা করে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
তীব্র গরমে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে শসা, তরমুজ, ডাব, টকদই ও লেবুর শরবতের মতো খাবার নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীর থেকে সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের মতো জরুরি খনিজ বেরিয়ে যাওয়ায় দ্রুত ক্লান্তি ও ডিহাইড্রেশন দেখা দেয়। এই অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্যহীনতা বলা হয়।
শরীরে পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের জোগান দিতে ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট হিসেবে কাজ করে যা শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখে। পাশাপাশি যারা দীর্ঘক্ষণ রোদে কাজ করেন, তাদের জন্য স্যালাইন খাওয়া জরুরি, কারণ এটি সোডিয়াম ও শর্করার ভারসাম্য রক্ষা করে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। সুস্থ থাকতে দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার পানি পান করার পাশাপাশি ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।
অতিরিক্ত ঘামে রক্তচাপ কমে গেলে লেবুর শরবতের সঙ্গে সামান্য লবণ ও চিনি মিশিয়ে খেলে দ্রুত ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য ফিরে আসে। এটি ভিটামিন 'সি'র চাহিদা মিটিয়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়। এছাড়া ঘোল বা মাঠা শরীরের সোডিয়ামের ঘাটতি পূরণে অত্যন্ত কার্যকর। দুপুরের রোদে বাইরে থেকে ফিরে এক গ্লাস ঠান্ডা ঘোল শরীরের সতেজতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।
গ্রীষ্মকালীন ফল হিসেবে তরমুজে প্রায় ৯২ শতাংশ পানি থাকে, যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে আদর্শ। এছাড়া বেল ও বাঙ্গির মতো মৌসুমি রসালো ফল পেশির টান কমাতে এবং খনিজ লবণের ভারসাম্য বজায় রাখতে দারুণ কার্যকর। তবে প্যাকেটজাত ফলের রস এড়িয়ে চিনি ছাড়া তাজা ফলের রস খাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা হৃৎপিণ্ডকেও ভালো রাখতে সহায়তা করে।

আপনার মতামত লিখুন