কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত প্রায় আড়াইশ বছরের পুরোনো পাগলা মসজিদ বর্তমানে দেশের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। নান্দনিক স্থাপত্যশৈলী আর অলৌকিক সব জনশ্রুতির কারণে এই মসজিদটি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের কাছে এক গভীর বিশ্বাসের স্থান। তিনটি বড় গম্বুজ ও বিশাল মিনারে সজ্জিত এই মসজিদে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের জন্যও পৃথক নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে।
পাগলা মসজিদের নামকরণ ও ইতিহাস নিয়ে বেশ কিছু চমকপ্রদ জনশ্রুতি প্রচলিত আছে। কেউ মনে করেন নদীপথে মাদুরে ভেসে আসা এক পাগল সাধকের কবরের পাশে এটি নির্মিত হয়েছে, আবার কারো মতে ঈসা খাঁর বংশধর দেওয়ান জিলকদর খান ওরফে জিলকদর পাগলার নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। বর্তমানে মসজিদটির সৌন্দর্য বাড়াতে নদীর ওপর দৃষ্টিনন্দন সেতু ও বাহারি ফুলের বাগান করা হয়েছে, যা রাতে বৈদ্যুতিক আলোয় অপূর্ব রূপ ধারণ করে।
মসজিদ কমপ্লেক্সের আধুনিকায়নে বর্তমানে ১৫০ কোটি টাকার একটি মেগা-প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় মসজিদটিকে আন্তর্জাতিক মানের ছয় তলা বিশিষ্ট একটি আধুনিক ইসলামি কমপ্লেক্সে রূপান্তর করা হবে, যেখানে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, এখানে ভক্তি ভরে দান করলে মনের বাসনা পূর্ণ হয়, যার ফলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ দান জমা হয় এই মসজিদে।
ঢাকা থেকে পর্যটকেরা ট্রেন বা বাসযোগে খুব সহজেই পাগলা মসজিদে যাতায়াত করতে পারেন। কমলাপুর থেকে এগারোসিন্ধুর প্রভাতীসহ তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনে অথবা মহাখালী ও গোলাপবাগ থেকে বিভিন্ন বাসে করে কিশোরগঞ্জ আসা যায়। রেলওয়ে স্টেশন বা বাসস্ট্যান্ড থেকে অটোরিকশায় চড়ে মাত্র ৩০ মিনিটেই পৌঁছানো যায় এই ঐতিহাসিক মসজিদে। বিশেষ করে শুক্রবার জুমার নামাজে এখানে দেশি-বিদেশি অসংখ্য পর্যটকের সমাগম ঘটে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদীর তীরে অবস্থিত প্রায় আড়াইশ বছরের পুরোনো পাগলা মসজিদ বর্তমানে দেশের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় ও পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। নান্দনিক স্থাপত্যশৈলী আর অলৌকিক সব জনশ্রুতির কারণে এই মসজিদটি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের কাছে এক গভীর বিশ্বাসের স্থান। তিনটি বড় গম্বুজ ও বিশাল মিনারে সজ্জিত এই মসজিদে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদের জন্যও পৃথক নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রয়েছে।
পাগলা মসজিদের নামকরণ ও ইতিহাস নিয়ে বেশ কিছু চমকপ্রদ জনশ্রুতি প্রচলিত আছে। কেউ মনে করেন নদীপথে মাদুরে ভেসে আসা এক পাগল সাধকের কবরের পাশে এটি নির্মিত হয়েছে, আবার কারো মতে ঈসা খাঁর বংশধর দেওয়ান জিলকদর খান ওরফে জিলকদর পাগলার নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছে। বর্তমানে মসজিদটির সৌন্দর্য বাড়াতে নদীর ওপর দৃষ্টিনন্দন সেতু ও বাহারি ফুলের বাগান করা হয়েছে, যা রাতে বৈদ্যুতিক আলোয় অপূর্ব রূপ ধারণ করে।
মসজিদ কমপ্লেক্সের আধুনিকায়নে বর্তমানে ১৫০ কোটি টাকার একটি মেগা-প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় মসজিদটিকে আন্তর্জাতিক মানের ছয় তলা বিশিষ্ট একটি আধুনিক ইসলামি কমপ্লেক্সে রূপান্তর করা হবে, যেখানে পাঁচ হাজারের বেশি মানুষ একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারবেন। সাধারণ মানুষের বিশ্বাস, এখানে ভক্তি ভরে দান করলে মনের বাসনা পূর্ণ হয়, যার ফলে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ দান জমা হয় এই মসজিদে।
ঢাকা থেকে পর্যটকেরা ট্রেন বা বাসযোগে খুব সহজেই পাগলা মসজিদে যাতায়াত করতে পারেন। কমলাপুর থেকে এগারোসিন্ধুর প্রভাতীসহ তিনটি আন্তঃনগর ট্রেনে অথবা মহাখালী ও গোলাপবাগ থেকে বিভিন্ন বাসে করে কিশোরগঞ্জ আসা যায়। রেলওয়ে স্টেশন বা বাসস্ট্যান্ড থেকে অটোরিকশায় চড়ে মাত্র ৩০ মিনিটেই পৌঁছানো যায় এই ঐতিহাসিক মসজিদে। বিশেষ করে শুক্রবার জুমার নামাজে এখানে দেশি-বিদেশি অসংখ্য পর্যটকের সমাগম ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন