রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত দেশের বৃহত্তম ইউনিয়ন সাজেক ভ্যালি বর্তমানে পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৮০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই পাহাড়ী জনপদে মেঘ আর পাহাড়ের মিতালি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন হাজারো পর্যটক। পাহাড়ের প্রকৃত রূপ উপভোগ করতে বর্ষাকালকে সবচেয়ে আদর্শ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সাজেক যাতায়াতের জন্য খাগড়াছড়ি শহরকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করা সবচেয়ে সুবিধাজনক। শহর থেকে চাঁদের গাড়ি, পিকআপ বা সিএনজি ভাড়া করে সাজেক যাওয়া যায়, যেখানে দূরত্ব অনুযায়ী খরচ ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। যাত্রাপথে বাঘাইহাট ও মাচালং আর্মি চেকপোস্টে নাম ও গাড়ির তথ্য জমা দিয়ে অনুমতি নিতে হয় এবং সেনাবাহিনীর এসকর্ট বা নির্ধারিত গাড়িবহরের পেছনে থেকে যাত্রা সম্পন্ন করতে হয়।
সাজেকে থাকার জন্য ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও কাঠের তৈরি রিসোর্টের পাশাপাশি আধুনিক পাকা কটেজও রয়েছে, যার ভাড়া মানভেদে ২ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকা পর্যন্ত। খাবারের জন্য এখানে আগে থেকে অর্ডার দেওয়ার নিয়ম প্রচলিত রয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি ঐতিহ্যবাহী খাবার ‘ব্যাম্বু চিকেন’ ও ‘ব্যাম্বু বিরিয়ানি’ পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ভ্রমণের তালিকায় কংলাক পাহাড়, হেলিপ্যাড, ঝারভোজ পার্ক এবং স্টোন গার্ডেন রাখা যেতে পারে।
নিরাপদ ও আনন্দদায়ক ভ্রমণের জন্য পর্যটকদের কিছু জরুরি নিয়ম মেনে চলতে হয়। জাতীয় পরিচয়পত্র সাথে রাখা, সেনা চেকপোস্টে ছবি না তোলা এবং আদিবাসীদের ছবি তোলার আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। এছাড়া পাহাড়ে নেটওয়ার্ক সুবিধার জন্য রবি বা টেলিটক সিম সাথে রাখা এবং দুর্গম এলাকায় যাতায়াতে গাইড ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ের আঁকাবাঁকা ও ঢালু পথে যাতায়াতের জন্য গাড়ির যান্ত্রিক অবস্থা যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত দেশের বৃহত্তম ইউনিয়ন সাজেক ভ্যালি বর্তমানে পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১ হাজার ৮০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই পাহাড়ী জনপদে মেঘ আর পাহাড়ের মিতালি দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন হাজারো পর্যটক। পাহাড়ের প্রকৃত রূপ উপভোগ করতে বর্ষাকালকে সবচেয়ে আদর্শ সময় হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সাজেক যাতায়াতের জন্য খাগড়াছড়ি শহরকে ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করা সবচেয়ে সুবিধাজনক। শহর থেকে চাঁদের গাড়ি, পিকআপ বা সিএনজি ভাড়া করে সাজেক যাওয়া যায়, যেখানে দূরত্ব অনুযায়ী খরচ ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৯ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। যাত্রাপথে বাঘাইহাট ও মাচালং আর্মি চেকপোস্টে নাম ও গাড়ির তথ্য জমা দিয়ে অনুমতি নিতে হয় এবং সেনাবাহিনীর এসকর্ট বা নির্ধারিত গাড়িবহরের পেছনে থেকে যাত্রা সম্পন্ন করতে হয়।
সাজেকে থাকার জন্য ঐতিহ্যবাহী বাঁশ ও কাঠের তৈরি রিসোর্টের পাশাপাশি আধুনিক পাকা কটেজও রয়েছে, যার ভাড়া মানভেদে ২ হাজার থেকে ১৪ হাজার টাকা পর্যন্ত। খাবারের জন্য এখানে আগে থেকে অর্ডার দেওয়ার নিয়ম প্রচলিত রয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি ঐতিহ্যবাহী খাবার ‘ব্যাম্বু চিকেন’ ও ‘ব্যাম্বু বিরিয়ানি’ পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। ভ্রমণের তালিকায় কংলাক পাহাড়, হেলিপ্যাড, ঝারভোজ পার্ক এবং স্টোন গার্ডেন রাখা যেতে পারে।
নিরাপদ ও আনন্দদায়ক ভ্রমণের জন্য পর্যটকদের কিছু জরুরি নিয়ম মেনে চলতে হয়। জাতীয় পরিচয়পত্র সাথে রাখা, সেনা চেকপোস্টে ছবি না তোলা এবং আদিবাসীদের ছবি তোলার আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। এছাড়া পাহাড়ে নেটওয়ার্ক সুবিধার জন্য রবি বা টেলিটক সিম সাথে রাখা এবং দুর্গম এলাকায় যাতায়াতে গাইড ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাহাড়ের আঁকাবাঁকা ও ঢালু পথে যাতায়াতের জন্য গাড়ির যান্ত্রিক অবস্থা যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন