আগামী ১ জুলাই থেকে টাকা ট্রান্সফারের মাধ্যম হিসেবে বাংলা কিউআর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করছে সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এই তথ্য জানিয়েছেন। ক্যাশলেস বাংলাদেশ তৈরির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী জুনের মধ্যে অন্তত একটি লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) খুলনার একটি অভিজাত হোটেলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ম ষাণ্মাসিক মুদ্রানীতি প্রণয়ন সংক্রান্ত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় গভর্নর এসব কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, ক্যাশলেস বাংলাদেশ তৈরিতে যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, তাতে সবার অংশগ্রহণ রেভিনিউ কালেকশন ও ম্যানেজমেন্টসহ সবকিছু সহজ করবে। তিনি জানান, প্রতিবছর কাগজের নোট ছাপাতে ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়, যা বাংলা কিউআর ব্যবহারের মাধ্যমে অর্ধেক নামিয়ে আনা গেলে অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব। এছাড়া তিনি কৃষক ঋণ ও পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করার বিষয়েও কথা বলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনার নির্বাহী পরিচালক মো. রুকনুজ্জামানের সভাপতিত্বে এই মতবিনিময় সভায় খুলনার ব্যবসায়ী, অংশীজন এবং সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা খুলনার প্রেক্ষাপটে কৃষক ঋণ, কৃষকের ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ এবং সঠিক দাম প্রাপ্তিতে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং মুদ্রানীতি বিষয়ক উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মাহমুদ সালাহ্উদ্দিন নাসের।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ মে ২০২৬
আগামী ১ জুলাই থেকে টাকা ট্রান্সফারের মাধ্যম হিসেবে বাংলা কিউআর ব্যবহার বাধ্যতামূলক করছে সরকার। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এই তথ্য জানিয়েছেন। ক্যাশলেস বাংলাদেশ তৈরির পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী জুনের মধ্যে অন্তত একটি লেনদেনে বাংলা কিউআর ব্যবহার করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।
শনিবার (১৬ মে) খুলনার একটি অভিজাত হোটেলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ম ষাণ্মাসিক মুদ্রানীতি প্রণয়ন সংক্রান্ত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় গভর্নর এসব কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, ক্যাশলেস বাংলাদেশ তৈরিতে যে পরিকল্পনা করা হয়েছে, তাতে সবার অংশগ্রহণ রেভিনিউ কালেকশন ও ম্যানেজমেন্টসহ সবকিছু সহজ করবে। তিনি জানান, প্রতিবছর কাগজের নোট ছাপাতে ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়, যা বাংলা কিউআর ব্যবহারের মাধ্যমে অর্ধেক নামিয়ে আনা গেলে অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব। এছাড়া তিনি কৃষক ঋণ ও পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করার বিষয়েও কথা বলেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনার নির্বাহী পরিচালক মো. রুকনুজ্জামানের সভাপতিত্বে এই মতবিনিময় সভায় খুলনার ব্যবসায়ী, অংশীজন এবং সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা খুলনার প্রেক্ষাপটে কৃষক ঋণ, কৃষকের ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ এবং সঠিক দাম প্রাপ্তিতে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান এবং মুদ্রানীতি বিষয়ক উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মাহমুদ সালাহ্উদ্দিন নাসের।

আপনার মতামত লিখুন