পাকিস্তানের বিশেষ অনুরোধেই হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সোমবার (১৮ মে) পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর সূত্র অনুযায়ী, পাকিস্তান মূলত যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করেছিল যে এই প্রকল্পটি স্থগিত করা হলে ইরানের সঙ্গে একটি সফল সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই প্রসঙ্গে বলেন, মূলত কূটনীতিকে একটি সুযোগ দিতেই প্রকল্পটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেকোনো সংকটে কূটনৈতিক সমাধান খোঁজাটাকেই সবসময় বেশি অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন।
এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দাবি করেছেন যে, ইসলামাবাদ বর্তমানে বিশ্বদরবারে একটি ন্যায়পরায়ণ মধ্যস্থতাকারী ও বিশ্বস্ত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করছে। রোববার (১৭ মে) দ্য সানডে টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং উপসাগরীয় দেশগুলো এখন শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ওপর আস্থা রাখছে এবং দেশটিকে একটি নির্ভরযোগ্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিবেচনা করছে। রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের পারস্পরিক সুসমন্বয়ের ফলেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানের এমন ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
শাহবাজ শরিফ আরও জানান, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান বরাবরই ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও দেশটিকে দায়িত্বশীল ও কার্যকর কূটনৈতিক ভূমিকা বজায় রাখতে দেখা গেছে এবং এর পাশাপাশি গত দুই বছরে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল করার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি এক অঙ্কে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
পাকিস্তানের বিশেষ অনুরোধেই হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ স্থগিত করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সোমবার (১৮ মে) পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম সামা টিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর সূত্র অনুযায়ী, পাকিস্তান মূলত যুক্তরাষ্ট্রকে আশ্বস্ত করেছিল যে এই প্রকল্পটি স্থগিত করা হলে ইরানের সঙ্গে একটি সফল সমঝোতার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই প্রসঙ্গে বলেন, মূলত কূটনীতিকে একটি সুযোগ দিতেই প্রকল্পটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল। তিনি আরও স্পষ্ট করেন যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেকোনো সংকটে কূটনৈতিক সমাধান খোঁজাটাকেই সবসময় বেশি অগ্রাধিকার দিয়ে থাকেন।
এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দাবি করেছেন যে, ইসলামাবাদ বর্তমানে বিশ্বদরবারে একটি ন্যায়পরায়ণ মধ্যস্থতাকারী ও বিশ্বস্ত দেশ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করছে। রোববার (১৭ মে) দ্য সানডে টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং উপসাগরীয় দেশগুলো এখন শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের ওপর আস্থা রাখছে এবং দেশটিকে একটি নির্ভরযোগ্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বিবেচনা করছে। রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের পারস্পরিক সুসমন্বয়ের ফলেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানের এমন ইতিবাচক ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
শাহবাজ শরিফ আরও জানান, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তান বরাবরই ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও দেশটিকে দায়িত্বশীল ও কার্যকর কূটনৈতিক ভূমিকা বজায় রাখতে দেখা গেছে এবং এর পাশাপাশি গত দুই বছরে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল করার মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি এক অঙ্কে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন