বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনে প্রবৃদ্ধির গতি ধীরে ধীরে কমে আসছে। চলমান যুদ্ধের প্রভাব দেশটির শিল্প উৎপাদন, ভোক্তা ব্যয় এবং বিনিয়োগে নেতিবাচক চাপ তৈরি করছে বলে নতুন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে। সোমবার (১৮ মে) এ খবর প্রকাশ করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলে দেশটির শিল্প উৎপাদন আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ৪ দশমিক ১ শতাংশ, যেখানে মার্চে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির এ হার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের চেয়েও কম।
একই সময়ে খুচরা বিক্রির প্রবৃদ্ধিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এপ্রিলে খুচরা বিক্রি বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ২ শতাংশ, যেখানে মার্চে এ হার ছিল ১ দশমিক ৭ শতাংশ এবং এতে দেশটির অভ্যন্তরীণ চাহিদা দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।
জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত স্থায়ী সম্পদে বিনিয়োগ কমেছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ। বিশেষ করে আবাসন খাতে বড় ধস দেখা গেছে এবং এ সময়ে রিয়েল এস্টেট খাতে বিনিয়োগ কমেছে ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ।
তবে কর্মসংস্থানের চিত্রে বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি। এপ্রিল মাসে শহরাঞ্চলের বেকারত্বের হার ৫ দশমিক ২ শতাংশে স্থির ছিল।
অর্থনীতির সামগ্রিক দুর্বলতার মধ্যেও উচ্চপ্রযুক্তি খাত কিছুটা আশার আলো দেখিয়েছে। বছরের প্রথম চার মাসে উচ্চপ্রযুক্তি উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ৬ শতাংশ এবং পাশাপাশি এপ্রিলে রফতানি বেড়েছে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবচীনের অর্থনীতিতে চাপ বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে ভোক্তা আস্থা ও আবাসন খাতের দুর্বলতা দেশটির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনে প্রবৃদ্ধির গতি ধীরে ধীরে কমে আসছে। চলমান যুদ্ধের প্রভাব দেশটির শিল্প উৎপাদন, ভোক্তা ব্যয় এবং বিনিয়োগে নেতিবাচক চাপ তৈরি করছে বলে নতুন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে। সোমবার (১৮ মে) এ খবর প্রকাশ করেছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিলে দেশটির শিল্প উৎপাদন আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ৪ দশমিক ১ শতাংশ, যেখানে মার্চে এ প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। প্রবৃদ্ধির এ হার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের চেয়েও কম।
একই সময়ে খুচরা বিক্রির প্রবৃদ্ধিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এপ্রিলে খুচরা বিক্রি বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ২ শতাংশ, যেখানে মার্চে এ হার ছিল ১ দশমিক ৭ শতাংশ এবং এতে দেশটির অভ্যন্তরীণ চাহিদা দুর্বল হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।
জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত স্থায়ী সম্পদে বিনিয়োগ কমেছে ১ দশমিক ৬ শতাংশ। বিশেষ করে আবাসন খাতে বড় ধস দেখা গেছে এবং এ সময়ে রিয়েল এস্টেট খাতে বিনিয়োগ কমেছে ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ।
তবে কর্মসংস্থানের চিত্রে বড় পরিবর্তন দেখা যায়নি। এপ্রিল মাসে শহরাঞ্চলের বেকারত্বের হার ৫ দশমিক ২ শতাংশে স্থির ছিল।
অর্থনীতির সামগ্রিক দুর্বলতার মধ্যেও উচ্চপ্রযুক্তি খাত কিছুটা আশার আলো দেখিয়েছে। বছরের প্রথম চার মাসে উচ্চপ্রযুক্তি উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১২ দশমিক ৬ শতাংশ এবং পাশাপাশি এপ্রিলে রফতানি বেড়েছে ৯ দশমিক ৮ শতাংশ।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাবচীনের অর্থনীতিতে চাপ বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে ভোক্তা আস্থা ও আবাসন খাতের দুর্বলতা দেশটির সামগ্রিক প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

আপনার মতামত লিখুন