যুক্তরাষ্ট্র যদি কিউবার বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেয় তবে ভয়াবহ রক্তস্নান ঘটবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, কিউবা অন্য কোনো দেশের জন্য হুমকি নয় এবং তাদের কোনো আগ্রাসী উদ্দেশ্যও নেই; তবে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে তার পরিণতি ভয়াবহ হবে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী কিউবার আত্মরক্ষার পূর্ণ বৈধ অধিকার রয়েছে।
মূলত সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনের পর দুই দেশের মধ্যে এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়, যেখানে গোপন গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে দাবি করা হয় যে কিউবা ৩০০টির বেশি সামরিক ড্রোন সংগ্রহ করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এসব ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রের গুয়ান্তানামো বে নৌঘাঁটি, সামরিক জাহাজ এবং ফ্লোরিডার কি ওয়েস্ট এলাকার মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ব্যবহার করা হতে পারে।
তবে কিউবার কর্মকর্তারা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছেন যে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত তৈরির জন্য ওয়াশিংটন এসব তথ্য ছড়াচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি নিষেধাজ্ঞা, কিউবায় জ্বালানি সংকট এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে হাভানা ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে।
বর্তমানে কিউবায় তীব্র জ্বালানি সংকট ও ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও অনেক কিউবান নাগরিক জানিয়েছেন যে অর্থনৈতিক সংকট থাকলেও বিদেশি কোনো হামলার বিরুদ্ধে তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন, অন্যদিকে অনেকে উত্তেজনা না বাড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র যদি কিউবার বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেয় তবে ভয়াবহ রক্তস্নান ঘটবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, কিউবা অন্য কোনো দেশের জন্য হুমকি নয় এবং তাদের কোনো আগ্রাসী উদ্দেশ্যও নেই; তবে সামরিক উত্তেজনা বাড়লে তার পরিণতি ভয়াবহ হবে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী কিউবার আত্মরক্ষার পূর্ণ বৈধ অধিকার রয়েছে।
মূলত সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনের পর দুই দেশের মধ্যে এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়, যেখানে গোপন গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে দাবি করা হয় যে কিউবা ৩০০টির বেশি সামরিক ড্রোন সংগ্রহ করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এসব ড্রোন যুক্তরাষ্ট্রের গুয়ান্তানামো বে নৌঘাঁটি, সামরিক জাহাজ এবং ফ্লোরিডার কি ওয়েস্ট এলাকার মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ব্যবহার করা হতে পারে।
তবে কিউবার কর্মকর্তারা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে দাবি করেছেন যে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত তৈরির জন্য ওয়াশিংটন এসব তথ্য ছড়াচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি নিষেধাজ্ঞা, কিউবায় জ্বালানি সংকট এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপের কারণে হাভানা ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ক আরও খারাপ হয়েছে।
বর্তমানে কিউবায় তীব্র জ্বালানি সংকট ও ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেওয়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেও অনেক কিউবান নাগরিক জানিয়েছেন যে অর্থনৈতিক সংকট থাকলেও বিদেশি কোনো হামলার বিরুদ্ধে তারা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন, অন্যদিকে অনেকে উত্তেজনা না বাড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন